রাজনীতি ডেস্ক
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষিত আলোচনা সভার তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সভাটি ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা পরিবর্তন করে আগামী ২৭ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, ওইদিন বেলা আড়াইটায় রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, পূর্বনির্ধারিত সময়সূচিতে পরিবর্তন এনে নতুন তারিখ অনুযায়ী আয়োজনটি সম্পন্ন করা হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। এছাড়া সভায় সভাপতিত্ব করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অনুষ্ঠানে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অংশগ্রহণের কথা রয়েছে।
এর আগে গত ২২ মার্চ রাজধানীর নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সে সময় রুহুল কবীর রিজভী জানিয়েছিলেন, ২৫ মার্চ বেলা আড়াইটায় একই স্থানে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হবে। তবে পরবর্তীতে সংগঠনিক ও অন্যান্য বিবেচনায় সভার তারিখ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। ২৬ মার্চ দেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং দিবসটি প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে থাকে। বিএনপিও প্রতি বছর দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে, যার মধ্যে আলোচনা সভা অন্যতম।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আলোচনা সভা রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য তাদের অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। একই সঙ্গে জাতীয় দিবসগুলোর তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ক্ষেত্রেও এসব আয়োজন ভূমিকা রাখে। বিএনপির এ কর্মসূচিতে দলীয় নীতিনির্ধারক ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আলোচনা সভায় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস, জাতীয় চেতনা এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি আরও সমৃদ্ধ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
দলের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে নতুন তারিখ অনুযায়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।