1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
গণহত্যা দিবসে প্রতীকী ব্ল্যাক-আউট বাতিল শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষার্থীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিতের নির্দেশ দেন ২৫ মার্চ গণহত্যা: শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন মার্চের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স ২.৮৩ বিলিয়ন ডলার, আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ব্রেন টিউমার অপসারণে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির দ্বিতীয় অস্ত্রোপচার সম্পন্ন স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আলোচনা সভার তারিখ পরিবর্তন করল বিএনপি স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা রমজানের ছুটির পর শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতি পূরণে ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় মসলিনের ঐতিহ্য সংরক্ষণে বিশেষ পদক্ষেপ নেবে সরকার বলিউড তারকা গৌরীর হাতে বিরল আংটির ঝলক

ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা: ‘ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক’ পূর্ববর্তী গোপন ফোনালাপ প্রকাশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের ঐতিহাসিক বোমা হামলার মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে একটি অত্যন্ত গোপনীয় ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আলাপেই নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর অভিযান চালানোর প্রস্তাব দেন।

রয়টার্সের সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উভয় নেতা নিশ্চিত ছিলেন যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার শীর্ষ সহযোগীরা তেহরানের একটি কম্পাউন্ডে জরুরি বৈঠকে অংশ নেবেন। এই বৈঠকের সময়কে কাজে লাগিয়ে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে একটি ‘ডিক্যাপিটেশন স্ট্রাইক’ বা শীর্ষ নেতৃত্ব নির্মূলের কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে উদ্বুদ্ধ করেন। ইসরায়েলি সামরিক কৌশলে পরিচিত এই ধারণা মার্কিন প্রশাসনের জন্য বিরল হলেও নেতানিয়াহু যুক্তি দেন, এটি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা পুনঃস্থাপনের একটি বিশেষ সুযোগ।

নতুন প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকের সময় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাত থেকে সরিয়ে সকালে আনার ফলে পরিস্থিতি আরও নাটকীয় হয়ে ওঠে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বোঝান, খামেনিকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণার সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের কথিত ভাড়াটে খুনি নিয়োগের ষড়যন্ত্রকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এটি একটি বিরল সুযোগ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযান চালানোর প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছিলেন। তবে, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে এবং কখন ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে তিনি দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিলেন। সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, ফোনালাপটি ট্রাম্পকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর ‘শেষ যুক্তি’ হিসেবে পৌঁছেছে। নেতানিয়াহুর যুক্তিতে উঠে আসে, খামেনি নির্মূল হলে ট্রাম্প ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে পারবেন এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা কমাতে সক্ষম হবেন।

নেতানিয়াহু যুক্তি দেন, খামেনির মৃত্যু ইরানি জনগণকে রাজপথে নামতে উদ্বুদ্ধ করতে পারে এবং ১৯৭৯ সাল থেকে চলে আসা ইসলামিক শাসনব্যবস্থার পতনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে। এছাড়া, এ পদক্ষেপ ইরানের ব্যালিস্টিক ও পারমাণবিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই প্ররোচনা এবং ‘ক্লোজিং উইন্ডো’ তথ্য ট্রাম্পকে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’-র চূড়ান্ত আদেশ দিতে উদ্বুদ্ধ করে। এর ফলে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের ওপর প্রথম দফায় বোমা হামলা চালানো হয়। ওই দিন সন্ধ্যায় ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যানা কেলি ফোনালাপের বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গেলেও রয়টার্সকে জানান, অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের পথ বন্ধ করা।

পরবর্তীতে নেতানিয়াহু এই ফোনালাপ ও তার প্রভাবকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই গোপনীয় কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সূচনা করেছে এবং এক জটিল, উচ্চঝুঁকিপূর্ণ সামরিক অভিযানের পথ প্রশস্ত করেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026