1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি: আইইএ প্রধান

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি অস্থিরতা বর্তমান সময়ে দুটি তেল সংকট এবং একটি গ্যাস সংকটের সম্মিলিত রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফতিহ বিরল। সোমবার (২৩ মার্চ) অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায় ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বের কোনো দেশই এর নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারবে না।

বক্তৃতায় ফতিহ বিরল উল্লেখ করেন, চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এককভাবে কোনো দেশের পক্ষে এই সংকট সামাল দেওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমন্বিত নীতি গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

আইইএ প্রধান জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত পরিস্থিতির কারণে অঞ্চলটির জ্বালানি অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এ অঞ্চলের অন্তত ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা গুরুতর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলছে। এই ক্ষয়ক্ষতির ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা দামের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইইএ ইতোমধ্যে এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জরুরি তেলের মজুদ বাজারে ছাড়ার বিষয়ে আলোচনা শুরু করেছে বলে জানান বিরল। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে আইইএভুক্ত দেশগুলো বৈশ্বিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দেয়। এই উদ্যোগকে বাজার স্থিতিশীল রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে আইইএ এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত মজুত তেল বাজারে ছাড়ার জন্য সংস্থাটি প্রস্তুত রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে দেন, শুধুমাত্র মজুত তেল ছাড়ার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে সংকট সমাধান সম্ভব নয়। এর জন্য সরবরাহ চেইন স্বাভাবিক রাখা এবং প্রধান জ্বালানি রুটগুলো সচল রাখা অপরিহার্য।

বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব তুলে ধরে আইইএ প্রধান বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই রুটে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করা বর্তমান সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিয়মিত তেল পরিবহন ব্যাহত হলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে। এতে উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ এসব দেশের জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা বেশি। একই সঙ্গে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারে, যা সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিকল্প জ্বালানি উৎসের ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। আইইএ প্রধানও আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026