জাতীয় ডেস্ক
কুমিল্লায় শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে একটি রেল ক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষে বহু ব্যক্তি নিহত ও আহত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং জরুরি ব্যবস্থাপনার নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনাস্থল এবং দুর্ঘটনার পেছনের কারণ দ্রুত অনুসন্ধান করে প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করেছেন। তিনি আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের বিষয়েও তিনি তৎপরতার নির্দেশ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানিয়েছেন, প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পর্যবেক্ষণ করা হবে।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী দেশের অন্যান্য এলাকায় ঘটে যাওয়া সেতু ও সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষভাবে ফেনী, হবিগঞ্জ এবং জামালপুরে ঘটে যাওয়া সেতু দুর্ঘটনার পাশাপাশি বিভিন্ন সড়ক দুর্ঘটনার তত্ত্বাবধান ও আহতদের সহায়তা নিশ্চিতের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
রোববার এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পবিত্র ঈদ উদযাপনের এই সময়ে দুর্ঘটনাগুলি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, “প্রতিটি জীবন অমূল্য। প্রতিটি মৃত্যুই অপূরণীয় ক্ষতি।” নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে প্রধানমন্ত্রী শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী আরও নির্দেশ দিয়েছেন, জনগণের যাতায়াত নির্বিঘ্ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শৈথিল্য গ্রহণ করা হবে না। রেলক্রসিং ব্যবস্থাপনা, সেতুর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যবস্থার দুর্বলতা চিহ্নিত করে তা দুর্বল না করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে এসব ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার জন্য তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হয়।
দুর্ঘটনার তদন্ত শেষে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং পরিবহন ব্যবস্থার নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছে।