1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশে যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে বিষয়ে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা সমীচীন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে মাদক ও চোরাই মালসহ গ্রেপ্তার ৫০০ ওমানের মাসকাট বিমানবন্দরে আটকে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-১৩৬ ফ্লাইট হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর আলোচনা ঘিরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার মামলায় বিদিশা সিদ্দিক গ্রেপ্তার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ, যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার কবলে ভারতভিত্তিক চার প্রতিষ্ঠান ও তিন নাগরিক ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ড ট্রান্সফার ফিতে ব্রাইটন থেকে কার্লোস চালবাকে দলে ভিড়ালো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সৌদি আরবের সঙ্গে বেসামরিক পারমাণবিক প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি মার্কিন কংগ্রেসে পাঠালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি জাহাজ কার্যক্রম স্বাভাবিক, নতুন জাহাজ আগমনে সরবরাহ বাড়বে

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২১ মার্চ, ২০২৬
  • ৫৫ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রাম — জেলা প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানিবাহী জাহাজের কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আগামী সপ্তাহে আরও দুটি জাহাজ বন্দরে ভিড় করবে। বর্তমানে বন্দরে খালাস চলমান ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ও ‘এলপিজি সেভান’ জাহাজের মধ্যে ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ আগামী বুধবার (১৯ মার্চ) এবং ‘এলপিজি সেভান’ শুক্রবার (২০ মার্চ) বন্দরে ভিড় করবে। বন্দরের প্রশাসন জানিয়েছে, এ জাহাজগুলোর আগমনের ফলে জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল থাকবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়া থেকে গ্যাস অয়েল নিয়ে আগত ‘চ্যাং হ্যাং হং তু’ ১৫ মার্চ বন্দরে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে ব্রাভো মুরিং-এ অবস্থান করছে। এ পর্যন্ত জাহাজটি প্রায় ৫ হাজার মেট্রিক টন কার্গো খালাস করেছে এবং সম্পূর্ণ খালাস ১৯ মার্চের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অপরদিকে, ওমান থেকে এলপিজি নিয়ে আগত ‘এলপিজি সেভান’ ৮ মার্চ বন্দরে এসে কুতুবদিয়া এলাকায় অবস্থান করছে। এ পর্যন্ত জাহাজটি প্রায় ৭০২০ মেট্রিক টন এলপিজি খালাস করেছে এবং এর সম্পূর্ণ কার্যক্রম ২০ মার্চের মধ্যে শেষ হবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, মোট ২৮টি জ্বালানিবাহী জাহাজের মধ্যে অধিকাংশ ইতোমধ্যেই কার্গো খালাস শেষ করে বন্দর ত্যাগ করেছে। এসব জাহাজ বিভিন্ন দেশের—কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ওমান ও ভারত—বন্দর থেকে এলএনজি, এলপিজি, ক্রুড অয়েল, গ্যাস অয়েল, এইচএসএফও এবং বেস অয়েল সরবরাহ করেছে।

এছাড়াও, কয়েকটি জাহাজ বর্তমানে বন্দরের পথে রয়েছে। এদের মধ্যে কাতার, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, অ্যাঙ্গোলা, থাইল্যান্ড ও ওমান থেকে আগত জাহাজ রয়েছে, যেগুলো এলএনজি, এইচএসএফও, এলপিজি এবং বেস অয়েল বহন করছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব রেফায়াত হামিম তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, “জ্বালানি খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন জাহাজগুলোর আগমনের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।”

জাহাজগুলোর নিয়মিত খালাস এবং আগমনের ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দেশের জ্বালানি সরবরাহে যে স্থিতিশীলতা আসছে, তা শীতলকালের চাহিদা পূরণ ও শিল্প ও বাণিজ্য কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভর্তুকিমূলক এলএনজি ও গ্যাস অয়েলের সরবরাহে ধারাবাহিকতা থাকলে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য ওঠানামা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026