1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখার সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের স্বস্তি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৩ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়লেও বাংলাদেশে আপাতত দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় হঠাৎ খরচ বৃদ্ধি না হওয়ার দিকে সহায়তা করছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মার্চ জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব আলোচনা পর্যায়ে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দাম বৃদ্ধি স্থগিত করার নির্দেশ দেন। তার লক্ষ্য ছিল বাজারে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি না করা এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা। এরপর জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিয়মিত বাজার তদারকি এবং মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করেছে, যার ফলে তেলের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

বিশ্ববাজারের তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বের প্রায় ৯৫টি দেশে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। অনেক দেশে পরিবহন খরচ, উৎপাদন ব্যয় এবং নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির ফলে অর্থনৈতিক চাপ বাড়েছে। বাংলাদেশে তেলের দাম স্থিতিশীল থাকায় দেশীয় অর্থনীতিতে আপাতত কিছুটা স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল এবং কেরোসিনের দাম অপরিবর্তিত থাকায় পরিবহন খাতে ভাড়া বৃদ্ধি পায়নি, যা কৃষক, শ্রমজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের উপর অতিরিক্ত চাপ এড়াতে সহায়ক হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখা বাজারে পণ্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মানুষের দৈনন্দিন খরচ হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন, ‘সরকার জনগণের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশে জ্বালানি তেলের কোনো অভাব নেই।’

এছাড়া, দেশের জ্বালানি তেল বিক্রিতে আগে যে রেশনিং পদ্ধতি চালু ছিল তা তুলে নেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং নেই। সবাই চাহিদা অনুযায়ী তেল কিনতে পারবেন।’ তিনি আরও জানান, এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাতারের বাইরে বিকল্প উৎসের সন্ধান এবং আমদানি বৃদ্ধি বিষয়েও সরকার ইতিমধ্যেই কাজ করছে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম জানান, ‘সরকারের সদিচ্ছা, আমাদের নিয়মিত বাজার মনিটরিং এবং ভোক্তাদের সচেতনতা মিলিয়ে বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য আমরা সকল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।’

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা দীর্ঘমেয়াদি হলে ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন হতে পারে। তারা বিকল্প জ্বালানি ব্যবহার বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার ওপর গুরুত্ব দিতে পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমানে দেশজুড়ে তেলের বাজার স্থিতিশীল থাকার ফলে সাধারণ মানুষ এবং অর্থনৈতিক খাতগুলো আপাতত অস্থিরতা ও অতিরিক্ত খরচ বৃদ্ধির ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেয়েছে। সরকারের পর্যবেক্ষণ, আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এই স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026