1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:০৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
খালেদা জিয়া বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে গড়ে তোলার মূল কারিগর: মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিতে প্রার্থী দিয়েছে বিরোধী জোট অর্থের অভাবে কোনো নাগরিক চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হবেন না: প্রধানমন্ত্রী চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরে নির্বাচনের ঘোষণা নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে প্রাণহানি: তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর লালমনিরহাটকে উত্তরাঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি ত্রাণমন্ত্রীর ছয় মাসে সরকারের অধিকাংশ নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী গণতন্ত্র রক্ষা ও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেশের ১৮ কোটি মানুষের সার্বিক কল্যাণে সরকার কাজ করছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম নিয়ে সংসদে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হবে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

নাহিদ ইসলাম, এনসিপি আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ, বলেছেন যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কার্যক্রম সম্পর্কিত সরকারের মনোভাব সংসদে জানার পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তিনি আজ শনিবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভা শেষে এ তথ্য জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আমরা আমাদের বক্তব্য দেব। সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে সংসদে জানতে চাওয়া হবে সরকারের মনোভাব কী। এরপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” তিনি জানান যে সরকারের প্রতিক্রিয়া পাওয়ার পরই বিরোধী দলগুলি তাদের অবস্থান চূড়ান্ত করবে।

একই দিনে জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ১১ দলের বৈঠকেও সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত বিষয়টি প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল। জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আগামীকাল রবিবার সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে নামবে ১১ দল।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে ২৮ মার্চ শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্দোলনের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হবে।

রাজনীতিকদের মতে, সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত বিষয়। বিরোধী দলগুলোর দাবি, বর্তমান সংবিধানে কিছু ধারা দেশের চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনীয় সংস্কারের জন্য যথেষ্ট নমনীয় নয়। এ প্রসঙ্গে সরকার কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে, তা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ মূলত দেশের সংবিধানের বিভিন্ন অনুচ্ছেদ ও বিধান সংশোধন করার প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত। এটি কার্যকর হলে দেশের শাসনব্যবস্থা, নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কিত নীতি নির্ধারণে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনমূলক হুমকি এবং সরকারী অবস্থান উভয়ই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সংসদে সরকারের স্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত বিরোধী জোটের কর্মসূচি এবং আন্দোলনের সময়সূচি স্থির হবে না। এছাড়া, সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলির উপর রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ও সমন্বয় দেশের সংবিধানিক সংস্কারের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে।

সংসদীয় ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, আগামীদিনে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন এবং সংসদে সরকারের বক্তব্য দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন দ্বন্দ্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। বিরোধী দলের হুমকি ও সরকারের প্রতিক্রিয়া উভয়ই ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নাগরিকদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026