1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ০২:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধন ছাড়া “সংস্কার পরিষদ” গঠনের সুযোগ নেই দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার, টহল বৃদ্ধি: ডিএমপি কমিশনার জ্বালানি তেল বিক্রিতে আরোপিত সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার সংবিধান সংশোধন ছাড়া ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ বাস্তবায়ন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে প্রেরণ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি পয়লা বৈশাখে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী এবি পার্টি আয়োজন করল মাহে রমজান ইফতার ও আলোচনা সভা

ইরানির নিরাপত্তা উপদেষ্টার মৃত্যুতে তেহরানে শোকের ছায়া

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের রাজনৈতিক পরিসরে গভীর প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ও আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক উপদেষ্টা আলী শামখানির মৃত্যুতে রাজধানী তেহরান শোকাভিভূত হয়ে উঠেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) উত্তর তেহরানের ইমামজাদে সালেহ মাজারে অনুষ্ঠিত জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে মাজার চত্বরেই তার দাফন সম্পন্ন হয়।

৭০ বছর বয়সী আলী শামখানি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রাক্তন কমান্ডার ছিলেন এবং তিনি খোদ আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কাছের সহযোগী হিসেবে দীর্ঘকাল কাজ করেছেন। গত বছর ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তাকে ইরানের প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় তেহরানে চালানো এক প্রাণঘাতী হামলায় তিনি জীবিত বেঁচে যান, যা তার রাজনৈতিক ও সামরিক সক্ষমতার প্রতি আস্থার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। পরবর্তীতে তিনি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন।

গেলো ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে চালানো মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ অভিযানে আলী শামখানি নিহত হন। এই ঘটনায় ইরান সরকার উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে এবং শোক প্রকাশে সরকারি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। শামখানির মৃত্যু ইরানি রাজনৈতিক ও সামরিক মহলে শূন্যতা সৃষ্টি করেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

শামখানি ছিলেন ইরানের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী ব্যক্তি। তার দায়িত্বে থাকাকালীন প্রতিরক্ষা নীতি, আঞ্চলিক কূটনীতি এবং সামরিক পরিকল্পনায় তার অবদান বিশেষভাবে প্রাধান্য পেয়েছে। বিশেষ করে ইরান-ইসরায়েল বিরোধ এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বাস্তবায়নে তিনি সক্রিয় ছিলেন।

ইরানি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শামখানির মৃত্যু তেহরানের সামরিক ও কূটনৈতিক কৌশলগত পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের নেতৃত্বে তার অভাব পূরণ করা নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ও কৌশলগত সমঝোতার মাধ্যমে করা হবে। ইরানের আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অবস্থানেও এর প্রভাব প্রতিফলিত হতে পারে, বিশেষ করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে।

শহরের বিভিন্ন প্রান্তে শোক সমাবেশ এবং শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। জানাজা ও দাফনের সময় উপস্থিত জনগণ অশ্রুপ্রবাহের মধ্য দিয়ে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছে। সরকার ও সামরিক বাহিনী শামখানির অবদান স্মরণে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

আলী শামখানি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন এবং তার অভিজ্ঞতা ও কৌশলগত সিদ্ধান্ত দেশটির নীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তার মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক, সামরিক এবং কূটনৈতিক পরিসরে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026