ক্রীড়া ডেস্ক
চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে লামিন ইয়ামালের শেষ মুহূর্তের পেনাল্টি গোলের মাধ্যমে স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসলের সঙ্গে ১-১ সমতায় মাঠ ছাড়ে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) লন্ডনের সেন্ট জেমস পার্কে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কাতালানরা সফরকারী হিসেবে খেললেও পুরো ম্যাচে চাপের মধ্যে ছিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই নিউক্যাসল আক্রমণাত্মক ছিল। চতুর্থ মিনিটে সান্দ্রো তোনালির হেড শট বার্সেলোনার গোলের দিকে যায়, যা রক্ষা করেন গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া। পরে ডিফেন্ডার পাউ কুবার্সি গোললাইন থেকে বল সরিয়ে দেন, যার ফলে প্রথমার্ধের গোল রক্ষা পায়। ৩৬তম মিনিটে বার্সেলোনার একমাত্র স্পষ্ট সুযোগ আসে, যখন ফের্মিন লোপেজ বক্সের বাইরে থেকে শক্তিশালী শট নেন, তবে তা সরাসরি গোলরক্ষকের হাতে থাকে।
দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দলই মাঝমাঠে লড়াই চালায় এবং কোনো দলই বড় সুযোগ তৈরি করতে সক্ষম হয় না। ৬৬তম মিনিটে রবার্ট লেভানডভস্কি সুযোগ পেলেও গোল করতে ব্যর্থ হন। নিউক্যাসলও পেনাল্টি স্পট থেকে দুটি সুযোগ নষ্ট করে; জ্যাকব মার্ফি প্রথমে লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি, এবং তিন মিনিট পর পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে ভলি শটও গোলে পরিণত হয়নি।
৮৬তম মিনিটে মার্ফির ক্রস থেকে গোল করেন বার্নেস, যা ম্যাচে অগ্রগতি আনে। কিন্তু খেলার শেষ মুহূর্তে বার্সেলোনা একটি পেনাল্টি পায়। লামিন ইয়ামাল ঠাণ্ডা মাথায় শটটি সম্পন্ন করে সমতা ফিরিয়ে আনেন।
ম্যাচ শেষে বার্সেলোনা মোট ৫৪ শতাংশ বলের দখল রাখলেও, নিউক্যাসলের আক্রমণাত্মক খেলায় শেষ মুহূর্তের গোলরক্ষণের মাধ্যমে সমতা রক্ষা করা সম্ভব হয়। দুই দলের মধ্যে ফিরতি লেগ অনুষ্ঠিত হবে আগামী বুধবার বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে, যেখানে সমর্থকরা ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।
উভয় দলের জন্যই এই ফলাফল সমান গুরুত্বপূর্ণ; বার্সেলোনার জন্য এটি একটি সফর ম্যাচে হার এড়িয়ে সমতা রক্ষা, আর নিউক্যাসলের জন্য এটি নিজেদের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ। চ্যাম্পিয়নস লিগের এই পর্যায়ে প্রত্যেকটি গোল ও পজেশন গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে ফিরতি লেগে কৌশল ও ফলাফলের ওপর।