1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

উত্তর কোরিয়ার নারীরা বিপ্লবের মূল শক্তি হিসেবে মূল্যায়িত

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে দেশটির নারীদের কঠোর পরিশ্রম ও অবদানের প্রশংসা করেছেন। সোমবার (৯ মার্চ) পিয়ংইয়ংয়ে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নারীরা শারীরিকভাবে দুর্বল হলেও মানসিকভাবে দৃঢ়, এবং তারা দেশ গঠনে ‘বিপ্লবের দৃঢ় ভিত্তি’ হিসেবে অবদান রাখছেন।

কিম জং উনের ভাষ্য অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়ার নারীদের মুখমণ্ডল ও শারীরিক অবয়ব তাদের কঠোর পরিশ্রমের প্রমাণ বহন করে। তিনি উল্লেখ করেন, এই নারীরাই আধুনিক বিপ্লবের মূল শক্তি। কিমের বক্তব্যে দেশীয় নারীদের সাহস, পরিশ্রম ও স্থিতিশীলতার প্রতি আলোকপাত করা হয়েছে।

此次 অনুষ্ঠানে কিম জং উনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী রি সোল জু এবং মেয়ে কিম জু-এ। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে তার মেয়েকে ‘প্রিয় কন্যা’ হিসেবে পরিচয় দেওয়া হয়েছে, নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও সামরিক অনুষ্ঠানে কিম জু-এর সক্রিয় উপস্থিতি তাকে উত্তর কোরিয়ার সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের পথে এগিয়ে রাখছে।

অনুষ্ঠানে দেশের উচ্চপদস্থ দলীয় কর্মকর্তা ও বিদেশি কূটনীতিকরাও উপস্থিত ছিলেন। কিম জং উনের বক্তৃতার পর সেখানে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মনোজ্ঞ পরিবেশ তৈরি করে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কিম জং উনের এই বক্তব্য শুধু নারীদের মূল্যায়ন নয়, পাশাপাশি সমাজে নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকা প্রসারের একটি প্রকাশ হিসেবেও দেখা যেতে পারে। নারীদের অবদানকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেয়া এবং তাদের বিপ্লবী ভূমিকাকে প্রশংসা করা উত্তর কোরিয়ার সরকারী নীতি ও সামাজিক কাঠামোর অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক নারী দিবসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দেশে নারীর ক্ষমতায়ন ও সমানাধিকার নিয়ে প্রচেষ্টা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ায় এই দিবসের অনুষ্ঠান ও কিম জং উনের ভাষণও সেই প্রেক্ষাপটে নারীর ভূমিকাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026