1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
আগামী পাঁচ বছরে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা চট্টগ্রামকে লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের মেগা পরিকল্পনা ঢালাও আসামি ও নানা অসংগতি: ঝুলে আছে জুলাই আন্দোলনের অধিকাংশ মামলার তদন্ত মেক্সিকো ও ইংল্যান্ডের নকআউট পর্বের ম্যাচ নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে লালমনিরহাটে যৌতুকবিহীন ৭ জুটির গণবিয়ে সম্পন্ন, এলাকায় ব্যাপক প্রশংসা ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু আগামী আগস্ট মাসজুড়ে অনলাইনে নেওয়া হবে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আবেদন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মানবিকতা: ভূমিকম্পে পা হারানো ভেনেজুয়েলার শিশুকে জার্সি ও ভিডিও বার্তা প্রেরণ আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষকৃত্য: পাঁচ হাজারেরও বেশি স্কুল উন্মুক্ত করল ইরান বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

সিদ্দিক বাজার কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধন, রাজধানীতে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৪ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

রাজধানীতে ফুটপাতসহ জনসাধারণের ব্যবহৃত স্থানগুলোতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি সহ্য করা হবে না বলে সতর্কবার্তা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর চলাচল ও দৈনন্দিন কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করে এমন যেকোনো অবৈধ অর্থ আদায়ের ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নগর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নাগরিকদের সক্রিয় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সোমবার (৯ মার্চ) সকালে পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজার এলাকায় নবনির্মিত একটি কমিউনিটি সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং এলাকার বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আব্দুস সালাম বলেন, রাজধানীর ফুটপাত এবং জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত অন্যান্য স্থানগুলো নাগরিকদের অবাধ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকা প্রয়োজন। সেখানে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কর্তৃক চাঁদাবাজি কিংবা অবৈধ অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও কঠোর নির্দেশনা রয়েছে এবং নগর প্রশাসন তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

নগর ব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখার দায়িত্ব শুধু সিটি করপোরেশনের একার নয়। নগরবাসীর সচেতনতা ও সহযোগিতা ছাড়া এ কাজ পুরোপুরি সফল করা সম্ভব নয়। তাই নাগরিকদের নিজ নিজ এলাকায় ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে সহায়তা করার আহ্বান জানান তিনি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা অপসারণ কার্যক্রমে নিয়োজিত ঠিকাদারদের উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ময়লা অপসারণের দায়িত্বে টেন্ডার নিয়েছেন, তাদের নির্ধারিত নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত অর্থের বাইরে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের টেন্ডার বাতিলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নগর সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাগুলোর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে কমিউনিটি সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান, সভা ও কমিউনিটি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এ ধরনের অবকাঠামো প্রয়োজনীয় বলে মত দেন বক্তারা। নতুন কমিউনিটি সেন্টারটি স্থানীয় জনগণের জন্য একটি কার্যকর সামাজিক অবকাঠামো হিসেবে ব্যবহৃত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের জন্য এ ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ সামাজিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। কমিউনিটি সেন্টারটি এলাকার বাসিন্দাদের জন্য একটি স্থায়ী স্মারক হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা রাজধানীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং নগর ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার বিষয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তারা বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং নগরায়নের ফলে ঢাকায় নাগরিক সেবার চাহিদা ক্রমাগত বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনকে আরও কার্যকর পরিকল্পনা ও নাগরিকদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে নগর ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে হবে।

রাজধানীতে চাঁদাবাজি দমন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং স্থানীয় অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে নগরবাসীর জীবনমান উন্নত করার লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকারি সংস্থা ও নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগে রাজধানীকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026