1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
নারী ক্ষমতায়নে বিএনপি সরকারের পদক্ষেপের স্বীকৃতি ও আত্মনির্ভরশীল নারীদের সম্মাননা অনুষ্ঠান তিলকখালি খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন সম্পন্ন ঈদযাত্রার নিরাপত্তায় সরকারের কাছে সতর্কতা ও পদক্ষেপের আহ্বান বাংলাদেশ পুলিশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ তামাকজাত দ্রব্যের ‘নিয়ন্ত্রণ’ শব্দের বদলে ‘প্রকাশ্যে ব্যবহার নিষেধ’ অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজে ব্যস্ত মিরপুরে বাণিজ্যিক ভবনে আগুন, ফায়ার সার্ভিস উদ্ধারকাজে ব্যস্ত মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জ্বালানি সংকট: সব সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ক্লাস ও পরীক্ষা স্থগিত পাঁচ মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টার নাম সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি লন্ডনে কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ড. খলিলুর রহমান

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জাতীয় ঐক্য ও অসাম্প্রদায়িকতা দৃঢ় হবে: পার্বত্য মন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং জাতীয় ঐক্য আরও শক্তিশালী হবে। মন্ত্রী রোববার রাতে রাজধানীর বাসাবোস্থ ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আয়োজিত বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভিক্ষু-ভান্তে ও ভক্তবৃন্দের উদ্দেশে এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে সমাজে কোনো ধরনের ভেদাভেদ বা বৈষম্যের স্থান থাকবে না। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিন্নতা সত্ত্বেও সকল মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে একসাথে বসবাস করতে পারবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের ঘোষিত ৩১ দফার ম্যানিফেস্টো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে ভেদাভেদ বা বৈষম্যের অবকাশ থাকবে না এবং সরকার ও জনগণ মিলিতভাবে দেশের কল্যাণে কাজ করবে।

প্রার্থনা অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের মধ্যে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৌদ্ধ ধর্ম শান্তি, মৈত্রী এবং মানবতার শিক্ষা প্রদান করে। পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধন আরও দৃঢ় হবে এবং ভিক্ষু ভান্তেদের প্রার্থনা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সকল সম্প্রদায়ের মানুষ শান্তি ও সহনশীলতার সঙ্গে বসবাস করবে এবং দেশের উন্নতি ও জনগণের কল্যাণে সরকারের নীতিমালা সমর্থন করবে।

মন্ত্রী ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে আসার দীর্ঘদিনের ইচ্ছার কথাও উল্লেখ করেন এবং তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এই প্রার্থনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সহধর্মিনী মৈত্রী চাকমা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধকৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি সরুপানন্দ ভিক্ষু, ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ ভদন্ত আনন্দমিত্র মহাথেরো, ভদন্ত ধর্মানন্দ মহাথেরো, কল্যাণ জ্যোতি ভিক্ষু, সংগঠনের মহাসচিব ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুশীল বড়ুয়া, রাঙ্গামাটি জেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি মানসমুকুর চাকমা, সুভাষ চন্দ্র চাকমা, রনজিত কুমার বড়ুয়া, অনুপম বড়ুয়া এবং পার্থ প্রতীম বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও ভক্তবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী প্রার্থনায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশের শান্তি, অগ্রগতি ও জনগণের কল্যাণ কামনা করেন এবং সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি জাতি, ধর্ম ও সম্প্রদায় নির্বিশেষে সকল মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026