1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় আইসিসির সমালোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর দেশে ফেরার ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই তারকা ক্রিকেটার কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলার। তাদের অভিযোগ, ভ্রমণ ও ফেরার ব্যবস্থায় সব দলের প্রতি সমান আচরণ করা হচ্ছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল ৪ মার্চ সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পরও ভারতে অবস্থান করছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ১ মার্চ সুপার এইট পর্ব শেষে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়লেও তারা দেশে ফেরেনি। আন্তর্জাতিক আকাশপথে চলমান কিছু বিধিনিষেধের কারণে এই দুই দল বর্তমানে ভারতে আটকে রয়েছে।

অন্যদিকে, ৫ মার্চ টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল দ্রুত দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মুম্বাই থেকে ইংল্যান্ড দলের জন্য বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে আইসিসি। এই ব্যবস্থাপনা দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডি কক এই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, “আমরা এখনও কিছুই জানি না, অথচ ইংল্যান্ড আমাদের আগে চলে যাচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা যেন অন্ধকারে রয়েছে।” তার সতীর্থ ডেভিড মিলারও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। মিলারের অভিযোগ, ইংল্যান্ড দল দ্রুত দেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছে, অথচ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনও অপেক্ষায়।

বর্তমানে দুই দলই কলকাতায় অবস্থান করছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা একসঙ্গে একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারে, যা রোববার ছাড়তে পারে। ফ্লাইটটি প্রথমে জোহানেসবার্গে পৌঁছাবে, এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা সেখান থেকে অ্যান্টিগার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

এ বিতর্কে সমর্থন জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কোচ ড্যারেন স্যামি। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি দলের খেলোয়াড়দের মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। ভনের মতে, ক্রিকেট প্রশাসনে কোনো দলের প্রভাব বা প্রাধান্য থাকলে তা অন্য দলের সঙ্গে অসম আচরণের কারণ হতে পারে; সব দলকে সমানভাবে বিবেচনা করা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভ্রমণ ও ফেরার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা একদিকে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট শেষে দলের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। আইসিসির এই সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হওয়ায় ভবিষ্যতে অন্যান্য দলগুলোর ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় সমতার বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের এই বিরোধ তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও ভ্রমণ নীতিমালার স্বচ্ছতার ওপর নতুন করে আলো ফেলে। খেলোয়াড়দের নিরাপদ ও সমান সুবিধাজনক ফেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা আগামীতে আইসিসির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026