1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় আইসিসির সমালোচনা

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর দেশে ফেরার ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই তারকা ক্রিকেটার কুইন্টন ডি কক ও ডেভিড মিলার। তাদের অভিযোগ, ভ্রমণ ও ফেরার ব্যবস্থায় সব দলের প্রতি সমান আচরণ করা হচ্ছে না।

দক্ষিণ আফ্রিকা দল ৪ মার্চ সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পরও ভারতে অবস্থান করছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ১ মার্চ সুপার এইট পর্ব শেষে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়লেও তারা দেশে ফেরেনি। আন্তর্জাতিক আকাশপথে চলমান কিছু বিধিনিষেধের কারণে এই দুই দল বর্তমানে ভারতে আটকে রয়েছে।

অন্যদিকে, ৫ মার্চ টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল দ্রুত দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। মুম্বাই থেকে ইংল্যান্ড দলের জন্য বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে আইসিসি। এই ব্যবস্থাপনা দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি করেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডি কক এই পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, “আমরা এখনও কিছুই জানি না, অথচ ইংল্যান্ড আমাদের আগে চলে যাচ্ছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা যেন অন্ধকারে রয়েছে।” তার সতীর্থ ডেভিড মিলারও একই ধরনের মন্তব্য করেছেন। মিলারের অভিযোগ, ইংল্যান্ড দল দ্রুত দেশে ফেরার সুযোগ পাচ্ছে, অথচ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ এখনও অপেক্ষায়।

বর্তমানে দুই দলই কলকাতায় অবস্থান করছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা একসঙ্গে একটি ফ্লাইটে দেশে ফিরতে পারে, যা রোববার ছাড়তে পারে। ফ্লাইটটি প্রথমে জোহানেসবার্গে পৌঁছাবে, এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা সেখান থেকে অ্যান্টিগার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

এ বিতর্কে সমর্থন জানিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের কোচ ড্যারেন স্যামি। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি দলের খেলোয়াড়দের মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল ভন। ভনের মতে, ক্রিকেট প্রশাসনে কোনো দলের প্রভাব বা প্রাধান্য থাকলে তা অন্য দলের সঙ্গে অসম আচরণের কারণ হতে পারে; সব দলকে সমানভাবে বিবেচনা করা উচিত।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ভ্রমণ ও ফেরার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা একদিকে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করবে, অন্যদিকে টুর্নামেন্ট শেষে দলের মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। আইসিসির এই সিদ্ধান্ত সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত হওয়ায় ভবিষ্যতে অন্যান্য দলগুলোর ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় সমতার বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাবে।

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়দের এই বিরোধ তৈরি হওয়া পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও ভ্রমণ নীতিমালার স্বচ্ছতার ওপর নতুন করে আলো ফেলে। খেলোয়াড়দের নিরাপদ ও সমান সুবিধাজনক ফেরার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা আগামীতে আইসিসির জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়াতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026