1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন এমপি ড. খন্দকার মোশারররফ হোসেন বগুড়ায় আমজনতার দলের মহাসচিব তারেক রহমানের বাবার প্রথম জানাজা সম্পন্ন ‘গা থেকে গন্ধ আসা’ মন্তব্যে তানজিন তিশার প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হিসেবে পাবনার খালেদ হোসেন পরাগ নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপে সাতটিরও বেশি অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংস করেছে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ধারা শুরু ইরান-যুক্ত উত্তেজনার মধ্যে দুবাই থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন জার্মানি ও বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলায় অংশ নিচ্ছে না ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় চ্যালেঞ্জ

জার্মানি ও বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলায় অংশ নিচ্ছে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে জার্মানি ও বেলজিয়াম। দেশ দুটি একইসাথে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা প্রকাশ করে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।

জার্মান প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরিস পিস্টোরিয়াস বুধবার বার্লিনে পার্লামেন্টে জানান, জার্মানি কোনোভাবেই চলমান সংঘাতে অংশগ্রহণ করবে না। তিনি বলেন, “জার্মানি যুদ্ধের কোনো পক্ষ নয়। জার্মান সশস্ত্র বাহিনী এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না। আমরা চেষ্টা করব উত্তেজনা কমাতে এবং সহিংসতা যাতে আরও বিস্তার লাভ না করে।”

পিস্টোরিয়াস আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান হামলা এমন সরকারের বিরুদ্ধে পরিচালিত হচ্ছে, যা ইসরাইলকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে কাজ করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্ভরযোগ্য যুদ্ধোত্তর পরিকল্পনা ছাড়া সামরিক অভিযান দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে। তার কথায়, “ইতিহাস আমাদের দেখায় যে যুদ্ধ শুরু করা শেষ করা থেকে অনেক সহজ।”

একইভাবে, বেলজিয়ামের প্রতিরক্ষামন্ত্রী থিও ফ্রাঙ্কেন সংসদে জানান, দেশটি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ অভিযানে অংশ নেবে না। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি প্রতিহত করার জন্য কূটনৈতিক পথ অনুসরণ করা জরুরি।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, জার্মানি ও বেলজিয়ামের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে একরকম সংকেত দেয় যে, ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা কেবল অঞ্চলীয় নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। দেশ দুটি কূটনীতিকে প্রাধান্য দিয়ে সংঘাত প্রতিরোধ ও সমাধানের পথে ভূমিকা রাখতে আগ্রহী।

এর প্রেক্ষিতে, ইরান-ইসরাইল উত্তেজনা নতুন পর্বে প্রবেশ করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় সামরিক অংশগ্রহণ থাকা সত্ত্বেও কিছু পশ্চিমা দেশ কূটনৈতিক সমাধানকে প্রধান করে রাখার পক্ষে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা, তেলের বাজার এবং অঞ্চলীয় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

জার্মানি ও বেলজিয়ামের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মঞ্চে সংঘাত নিয়ন্ত্রণ ও শান্তি স্থাপনের প্রয়াসকে প্রভাবিত করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক হস্তক্ষেপের পরিবর্তে কূটনৈতিক উদ্যোগ বাড়ানো সম্ভাব্য সংঘাত সীমিত করতে সহায়ক হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026