1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন এমপি ড. খন্দকার মোশারররফ হোসেন বগুড়ায় আমজনতার দলের মহাসচিব তারেক রহমানের বাবার প্রথম জানাজা সম্পন্ন ‘গা থেকে গন্ধ আসা’ মন্তব্যে তানজিন তিশার প্রতিক্রিয়া প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হিসেবে পাবনার খালেদ হোসেন পরাগ নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ১৭তম ধাপে সাতটিরও বেশি অত্যাধুনিক রাডার ধ্বংস করেছে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ধারা শুরু ইরান-যুক্ত উত্তেজনার মধ্যে দুবাই থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন জার্মানি ও বেলজিয়াম যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ হামলায় অংশ নিচ্ছে না ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় চ্যালেঞ্জ

ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় চ্যালেঞ্জ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে এবং সবকটিকে মাঝআকাশে আটকানো সম্ভব নাও হতে পারে। মঙ্গলবার ক্যাপিটল হিলে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মার্কিন আইনপ্রণেতাদেরকে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছেন, শাহেদ ড্রোনগুলো প্রত্যাশার চেয়েও বড় সমস্যা তৈরি করছে। এই ড্রোনগুলো ধীরগতিতে ও নিচ থেকে উড়ে গেলে রাডার ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এড়িয়ে যাওয়া সহজ হয়। ফলে এগুলো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় কার্যকরভাবে আকাশ প্রতিরক্ষা ফাঁকি দিতে সক্ষম।

ব্রিফিংয়ের সময় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান অভিযানের মূল লক্ষ্য ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং নৌবাহিনী ধ্বংস করা, দেশটির পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা সীমিত করা এবং সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অস্ত্র সরবরাহ ঠেকানো। শাসন পরিবর্তনকে একটি আনুষঙ্গিক লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের বেশিরভাগ সামরিক স্থাপনা ‘ধ্বংস’ করার এবং নতুন হামলাগুলোতে দেশটির নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করেছেন।

যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের মধ্যে মতভেদ লক্ষ্য করা গেছে। আলাবামার রিপাবলিকান সিনেটর টমি টিউবারভিল জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তিন থেকে পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে সংঘাত সমাধানের সম্ভাবনা দেখেছেন। অন্যদিকে মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর জশ হাওলি উল্লেখ করেছেন, কর্মকর্তারা কোনও সুনির্দিষ্ট শেষ তারিখ দেননি এবং এটি অনির্দিষ্টকালীন বলে মনে হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা যুদ্ধের যৌক্তিকতা এবং গোলাবারুদের পর্যাপ্ততা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সীমাহীন সরবরাহ নেই এবং ইরান প্রচুর সংখ্যক শাহেদ ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে সক্ষম। এক পর্যায়ে আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করা একটি গাণিতিক সমস্যা হিসেবে দাঁড়াতে পারে।

কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া সামরিক পদক্ষেপ নেওয়াকে কেন্দ্র করে ডেমোক্র্যাটরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। হাউসের মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফরিস প্রশ্ন তুলেছেন, আমেরিকান স্বার্থে কোনও সরাসরি হুমকি না থাকা সত্ত্বেও কেন এই অভিযান শুরু করা হলো। তবে হাউস স্পিকার মাইক জনসন এটিকে ‘যুদ্ধ’ নয়, বরং ‘বিপজ্জনক ও গুরুত্বপূর্ণ অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বারাক ওবামার লিবিয়ার হস্তক্ষেপের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যেখানে কংগ্রেসের অনুমোদনের প্রয়োজন ছিল না।

চলতি সপ্তাহে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের পূর্বানুমতি গ্রহণের সম্ভাবনা কম বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026