1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সাইবার আইন সংস্কারে আইনজীবীদের পরামর্শ নেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী মাদকের সাথে জড়িতদের কোনো ছাড় নয়, হুঁশিয়ারি পানিসম্পদমন্ত্রীর বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এলপিজির দাম কমানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী পদ্মা রেল সেতুর ভায়াডাক্টের নিচের মাটি অপসারণে কোনো ঝুঁকি নেই: রেলমন্ত্রী শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণ বন্ধে আইন প্রণয়নের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর উপকূলীয় সুরক্ষা ও ডেল্টা অর্থনীতিতে ব্লু কার্বন অর্থায়ন জরুরি: পরিবেশমন্ত্রী স্বদেশি প্রযুক্তিতে তৈরি হচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা: চুয়েটের ওরিয়েন্টেশনে ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সোলার সেচপাম্প দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা বৃদ্ধকে রাস্তায় ফেলে গেল স্বজনরা, উদ্ধার করে দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের সাদাকে সাদা ও কালোকে কালো বলার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

হিজবুল্লাহ বলেছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত চলাকালীন আত্মসমর্পণ করবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৫১ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর নেতা নাইম কাসেম সোমবার ঘোষণা করেছেন যে, ইরান-সমর্থিত এই সংগঠন ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেও আত্মসমর্পণ করবে না। এই ভাষণটি লেবাননে আঞ্চলিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর তার প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।

কাসেমের বক্তব্য অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ ২০২৪ সালের শেষের দিকে হওয়া যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে চলছিল। তবে তিনি অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল চুক্তির কোনো ধারাই মানেনি। তিনি বলেন, “আমরা কূটনৈতিক সমাধানে সম্মত হয়েছিলাম এবং এটিকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের একটি সুযোগ হিসেবে দেখেছিলাম। কিন্তু বারবার বলেছি, ধৈর্যেরও সীমা আছে। আমাদের সিদ্ধান্ত হলো তাদের মোকাবিলা করা—চরম ত্যাগের বিনিময়ে, সীমার শেষ প্রান্ত পর্যন্তও এবং আমরা আত্মসমর্পণ করবো না।”

পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে, গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপরই হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েলে হামলা চালায়।

ইসরায়েল হামলার প্রতিক্রিয়ায় ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে এবং দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন করেছে। এই উত্তেজনার ফলে লাখ লাখ সাধারণ মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরতে বাধ্য হয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান পরিস্থিতি লেবাননের নিরাপত্তা ও অঞ্চলের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালীন নিয়ন্ত্রণ ও শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে। এছাড়া, এই উত্তেজনা অঞ্চলের অর্থনীতি ও মানবিক পরিস্থিতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে।

লেবাননে এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নিরাপত্তা সংস্থা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা পরিস্থিতি নজরে রাখছেন। সাধারণ জনগণ বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের মধ্যে জীবনযাপন করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026