1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হুঁশিয়ারি বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট

ইসরায়েলি বিমান হামলায় তেহরানে ব্যালিস্টিক মিসাইল অবকাঠামো ধ্বংস

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৫২ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের রাজধানী তেহরানে বুধবার রাতের ঘনঘটা সময়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী এক ঘোষণায় জানিয়েছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক অবকাঠামো, বিশেষত ব্যালিস্টিক মিসাইল সংশ্লিষ্ট সুবিধাসমূহ।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যার পর তেহরানে ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে, তেহরানের লক্ষ্যস্থলে থাকা ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল ইরানি সেনারা, সেই সময়ই হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে ব্যালিস্টিক মিসাইল সম্পর্কিত অবকাঠামোর উল্লেখযোগ্য ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার বিস্তারিত তাত্ক্ষণিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে পূর্বের হামলার প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে, এর সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জড়িত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের তেহরানে প্রথম বিমান হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতের এই হামলাকে এই সিরিজের ১১তম হামলা হিসেবে ধরা হচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রোগ্রাম এবং আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধির চেষ্টা ইসরায়েলের হামলার মূল কারণ হতে পারে। এই ধরনের হামলা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া সাম্প্রতিক এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের স্থিতিশীলতার ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

ইরানীয় সামরিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এমন হামলা মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুত। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা হামলার সময়সূচি এবং লক্ষ্য নির্ধারণে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কে তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন, যা ভবিষ্যতে একই ধরনের সংঘর্ষের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হতে পারে।

এই হামলার সঙ্গে যুক্ত প্রেসিডেন্টিয়াল বা সরকারী প্রতিক্রিয়া এখনও সীমিতভাবে প্রকাশিত হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বিষয়টিকে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের সামরিক ও কূটনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলার হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026