আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বৃহস্পতিবার রাত বাংলাদেশের সময় প্রায় ৩টায় ঘোষণা করেছে যে, মিসাইল হামলার তীব্রতা কমে যাওয়ায় যুদ্ধকালীন কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সাধারণ মানুষের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের মধ্যে কিছু শিথিলকরণ কার্যকর করা হচ্ছে।
প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে সাধারণ মানুষ সীমিত কার্যক্রম চালাতে পারবেন। এর আগে এই কার্যক্রম শুধুমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতে সীমিত ছিল। তবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
আগে যেখানে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল, এখন ৫০ বা তারও বেশি মানুষ একসঙ্গে জড়ো হতে পারবেন। তবে এর সঙ্গে শর্ত দেওয়া হয়েছে যে, যে স্থানে জমায়েত হবে, সেখানে কাছাকাছি বোমা শেল্টার থাকতে হবে। যাতে কোনো হুমকি সৃষ্টি হলে মানুষ দ্রুত সেল্টারে আশ্রয় নিতে পারেন।
এছাড়া শেল্টারের নিকটবর্তী অবস্থান নিশ্চিত থাকলে অফিস খোলা রাখা যাবে এবং কর্মস্থলে কাজকর্ম চালানো সম্ভব হবে।
নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই শিথিলকরণ যুদ্ধ পরিস্থিতির সাময়িক স্বাভাবিকীকরণের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে দেখা যেতে পারে, তবে ভয়াবহ পরিস্থিতি পুনরায় সৃষ্টি হলে জরুরি বিধিনিষেধ পুনঃপ্রয়োগ করা হবে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নাগরিকদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা হবে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী বিধিনিষেধ সমন্বয় করা হবে।