1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইয়ামালের ২ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট, স্পেনের আরেকটি জয় নিউইয়র্ক সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বুধবার জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে দেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে: রাষ্ট্রপতি লন্ডন সামিটে বাংলাদেশের জ্বালানি সম্ভাবনা উপস্থাপন মিরপুরের ক্রিকেট মঞ্চে কচুয়ার সন্তান ইরফান আহমেদ তুষার থার্ড টার্মিনাল চালু হলে কেমন সেবা পাবেন যাত্রীরা? বিমান বাহিনীর ৭৬তম ফ্লাইট সেফটি অফিসার্স কোর্সের সনদ বিতরণ বাংলাদেশ বিমানে তানভীর মোকাম্মেলের ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ প্রদর্শন বন্ধ দেশের ক্রিকেটে প্রথম ‘ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট’: ডি থ্রি ট্রফির ছয় দল পেল কোচিং স্টাফ ট্রফি উন্মোচিত হলো যবিপ্রবির আন্তঃবিভাগ ফুটবল প্রতিযোগিতার

মার্চের প্রথম তিন দিনে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৯৭ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি প্রতিবেদক

চলতি মার্চ মাসের প্রথম তিন দিনে দেশে ৫৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এ হিসাবে প্রতিদিন গড়ে ১৯ কোটি ১৭ লাখ ডলার দেশে প্রবেশ করেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার। সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ৩ মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৩০২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ আয় ২২ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রবাসী আয় বৃদ্ধির পেছনে বৈধ চ্যানেলে অর্থ প্রেরণে উৎসাহ, ব্যাংকিং ব্যবস্থার সহজীকরণ এবং প্রণোদনা কার্যক্রম ভূমিকা রাখছে।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। জানুয়ারি মাসে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক প্রবাসী আয়ের রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ধারাবাহিকভাবে কয়েক মাস ধরে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশিরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণে আগ্রহী হচ্ছেন। প্রবাসী আয়ের ওপর সরকারের প্রদত্ত নগদ প্রণোদনা এবং হুন্ডি নিরুৎসাহিতকরণ কার্যক্রমও এতে সহায়ক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছর শেষে দেশে মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, অর্থাৎ ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। এর আগে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের যে রেকর্ড ছিল, তা চলতি অর্থবছরে অতিক্রম করা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রেমিট্যান্স দেশের চলতি হিসাবের ভারসাম্য রক্ষা, আমদানি ব্যয় পরিশোধ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে এবং টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে প্রবাসী আয় কার্যকর অবদান রাখে।

সাম্প্রতিক সময়ে রপ্তানি আয়ের পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতিতে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, প্রবাসী আয়ের এ ধারা অব্যাহত থাকলে অর্থবছর শেষে সামগ্রিক প্রবাসী আয় আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026