শিক্ষা ডেস্ক
শিক্ষা মন্ত্রণালয় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ৬০ শতাংশ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা প্রস্তুতির জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরগুলোকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক সূত্র জানায়, বর্ধিত উৎসব ভাতা বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় হতে পারে। সঠিক পরিমাণ নির্ধারণের জন্য অধিদপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব প্রেরণের অনুরোধ করা হয়েছে। প্রস্তাবনা সংগ্রহের পর তা পর্যালোচনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে শিক্ষক ও কর্মচারীরা বর্ধিত উৎসব ভাতা পেতে পারেন। অধিদপ্তরগুলোকে দ্রুত প্রস্তাব পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব পাওয়ার পরপরই অনুমোদনের কার্যক্রম শুরু করা হবে।”
এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পূর্বে মূল বেতনের ২৫ শতাংশ উৎসব ভাতা পেতেন, আর কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ ভাতা ভোগ করতেন। গত বছর, শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি করে শিক্ষকভাতা ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হয়। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় উভয় শ্রেণির কর্মীর উৎসব ভাতা আরও ১০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাবনাসহ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই উদ্যোগ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও উৎসাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে, প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে বাজেটে উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত ব্যয় যুক্ত হবে, যা পরিকল্পিতভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের মধ্য দিয়ে কার্যকর করা হবে।