1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচনা করেছেন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে মার্কিন হামলার সময় যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাজ্য তাদের ভূমিকা যথাযথভাবে পালন করেনি এবং তিনি কখনও আশা করেননি যে এই ধরনের আচরণ যুক্তরাজ্য থেকে দেখতে পাবেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “সম্পর্কটি স্পষ্টতই আগের মতো নেই এবং এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।” তিনি ফ্রান্সের সমর্থনকে ইতিবাচক উল্লেখ করে বলেন, ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলেও যুক্তরাজ্য আলাদা।

গত সোমবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার মন্তব্য করেন যে তার সরকার আকাশ থেকে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের নীতি সমর্থন করে না। তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আক্রমণের জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেননি। তবে পরে ইরানি স্থাপনাগুলিতে প্রতিরক্ষামূলক হামলার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য তাদের ঘাঁটিগুলো মার্কিন বাহিনীকে ব্যবহার করার অনুমতি প্রদান করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ও কূটনৈতিক সম্পর্কের এই ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের গতিপ্রকৃতিকে নতুন আলোচনার মধ্যে ফেলে দিয়েছে। সামরিক এবং কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এমন পরিস্থিতি মিত্র দেশের মধ্যে স্বচ্ছ যোগাযোগ ও কৌশলগত সমন্বয়ের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ট্রাম্পের মন্তব্য ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী starmar-এর অবস্থান প্রকাশ করে যে, ইরান-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক সংঘর্ষে পশ্চিমা জোটের মধ্যে একরকম ঐক্যমত্যের অভাব দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের বহির্বিশ্ব নীতি এবং ন্যাটো মিত্র দেশগুলোর সহযোগিতা এমন ধরনের পার্থক্যসমূহের প্রভাব পড়তে পারে।

এ ঘটনায় কেয়ার স্টারমারের অবস্থান নিরপেক্ষ ও কৌশলগত বলেও বিশ্লেষকরা দেখছেন। যুক্তরাজ্য নির্দিষ্ট আক্রমণমূলক পদক্ষেপে অংশ না নেওয়ার মাধ্যমে নিজেদের নীতি ও আন্তর্জাতিক দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছে।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সামরিক সহযোগিতার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের নতুন দিককে তুলে ধরেছে, যা ভবিষ্যতে দুই দেশের কৌশলগত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026