1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। সরকারের ভাবনা অনুযায়ী, ঈদের সময় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ছুটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হতে পারে। এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসন্ন মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঘোষিত হতে পারে।

সরকারি বাৎসরিক ছুটির ক্যালেন্ডারের ভিত্তিতে চলতি বছরের ঈদুল ফিতরে মোট পাঁচ দিনের সরকারি ছুটি নির্ধারিত আছে। নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও ঈদুল ফিতরের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। ফলে সরকারিভাবে ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ মার্চ (সোমবার) পর্যন্ত ঈদের ছুটি কার্যকর হবে।

ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাবটি মূলত ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানী ও অন্যান্য শহরে যাত্রা করা মানুষদের সুবিধার্থে আনা হয়েছে। বিশেষ করে, দীর্ঘ সময়ের ট্রাফিক ও যাত্রাব্যবস্থার চাপকে কমাতে সরকারিভাবে ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা চলছে।

এছাড়াও, চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকায় ১৭ মার্চ শবেকদরের ছুটি রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে ১৮ মার্চ সাধারণ ছুটির ঘোষণা আসলে শবেকদর ও ঈদুল ফিতরের ছুটি সংযুক্ত হয়ে টানা সাত দিনের বিশ্রামের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে কর্মস্থল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটির ধারাবাহিকতা থাকবে এবং মানুষ নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে ঈদ পালন করতে পারবে।

সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকে প্রভাব ফেলতে পারে। যাত্রীদের যাত্রা সুবিধা বাড়ার পাশাপাশি পর্যটন ও স্থানীয় ব্যবসায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে, সরকারি পরিষেবা ও জরুরি কার্যক্রমে কোনো বাধা না সৃষ্টি করার জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতিও বাড়াতে হবে।

এর আগে সরকার প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের সময় ছুটির মেয়াদ নির্ধারণের ক্ষেত্রে সামাজিক, ধর্মীয় এবং অর্থনৈতিক দিকগুলো বিবেচনা করে। বিশেষত ঢাকাসহ বড় শহরগুলোতে ট্রাফিক জ্যাম ও যাত্রাপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য ছুটি বাড়ানো একটি প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হয়।

চলতি বছরের ঈদুল ফিতরের ছুটির চূড়ান্ত ঘোষণা মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সরকারিভাবে জানানো হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026