1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রপ্তানি খাতের শ্রমিকদের বেতন পরিশোধে বিশেষ ঋণ সুবিধা চালুর নির্দেশ মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলা অ্যামাজনের দুই ডেটা সেন্টার ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর ও রিশাদের ‘দ্য হান্ড্রেড’ নিলামে স্থান মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্বকাপ-সংশ্লিষ্ট দলগুলোর ভ্রমণ ব্যাহত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত, বিশ্ববাজার পরিস্থিতি নজরে রাখছে বিপিসি ইরানির ওমরাহযাত্রীদের সৌদি আরব ত্যাগ শুরু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে সমালোচনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করেছেন ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদে

যুক্তরাষ্ট্র ইরানে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতে জড়াবে না: ভাইস প্রেসিডেন্ট

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানে কোনো দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সংঘাতে জড়াবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এমন কোনো সংঘাতে জড়াবে না যা বছরের পর বছর ধরে চলবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের মূল লক্ষ্য ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা। ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রেসিডেন্ট শুধুমাত্র তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম তিন-চার বছরে দেশকে ইরানি পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে চান না, বরং তিনি নিশ্চিত করতে চান যে ইরান ভবিষ্যতেও কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ইরানি শাসনব্যবস্থার মানসিকতায় মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন হবে।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘমেয়াদি হবে না। ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, “ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনোভাবেই দেশকে বহু বছরের যুদ্ধে জড়াতে দেবেন না। আমরা ইরাক ও আফগানিস্তানে যে পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিলাম, সেই ধরনের দীর্ঘস্থায়ী সংকটে আর পড়ব না।”

ভ্যান্স ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর প্রকৃতি নিয়েও মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, এসব স্থাপনা শুধুমাত্র বেসামরিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির জন্য নির্মিত হয়নি, বরং পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়নের উদ্দেশ্যেও এগুলো ব্যবহারযোগ্য।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সম্ভাব্য কূটনৈতিক চাপ বৃদ্ধির পাশাপাশি অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা অনুযায়ী ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতির ফলে রাজনৈতিক ও মানবিক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে, ভ্যান্সের মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ কৌশলগত অবস্থান ও মধ্যপ্রাচ্যে সীমিত নীতি প্রণয়নের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এদিকে, ইরানি পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন। যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো বারবার ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার আহ্বান জানাচ্ছে। সম্প্রতি কিছু কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সীমিত ফল দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আইএইএ পর্যবেক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক আলোচনা। যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান ইরানের ওপর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, যা পারমাণবিক হুমকি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026