1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

অস্ট্রেলিয়ার ফাস্ট বোলিংয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েই চ্যালেঞ্জ, সতর্ক ম্যাকগ্রা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৯২ বার দেখা হয়েছে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী প্রজন্মের ফাস্ট বোলার চিহ্নিত করা আগামী সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পেস কিংবদন্তি গ্লেন ম্যাকগ্রা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ পেসারদের অনুপস্থিতি ও তরুণদের অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে অস্ট্রেলিয়া গ্রুপপর্বেই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেছে।

চেন্নাইয়ের পেস ফাউন্ডেশন মাঠে এক সাক্ষাৎকারে ম্যাকগ্রা বলেন, ‘ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ অ্যাশেজ সিরিজে ব্যবহৃত পেসারদের দেখুন। স্কটি বোল্যান্ড, মাইকেল নেসের, ঝাই রিচার্ডসন– তারা দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলছে। তরুণ পেসারদের স্থলে এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের বদলানো সম্ভব নয়। তাই পরবর্তী প্রজন্মের পেস আক্রমণ চূড়ান্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আসলে চমকপ্রদ হতে যাচ্ছে।’

ম্যাকগ্রা আরও বলেন, ‘নাথান এলিস অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের একজন প্রতিভাবান বোলার, তবে তিনি কিছুটা রক্ষণাত্মক। নতুন বোলার জ্যাক এডওয়ার্ডস ও মাহলি বেয়ার্ডম্যান গত জানুয়ারি মাসে অজিদের টি-টোয়েন্টি দলে অভিষেক করেছেন। তারা ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য সম্ভাব্য লাইনআপে থাকতে পারেন। তবে কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডদের অভাব পরবর্তী প্রজন্মের পেসারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। আমাদের এই তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক মানে মানিয়ে নেওয়া এখনও দেখতে হবে।’

বিগ ব্যাশ লিগ ও আইপিএল খেলায় অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্বেও গুরুত্বারোপ করেছেন সাবেক অজি পেসার। তিনি বলেন, ‘আইপিএলে বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা তরুণদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিগ ব্যাশে সাফল্য অর্জন করলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পাবে। কুপার কনলির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সই উদাহরণ। তরুণদের সফলভাবে উঠে আসতে হলে কিছু সিনিয়র ক্রিকেটারের নেতৃত্ব প্রয়োজন, যেমন ট্রাভিস হেড বা স্টিভ স্মিথ।’

ম্যাকগ্রা অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান বিশ্বকাপ পারফরম্যান্সের বিশ্লেষণেও সতর্কতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়া সম্ভবত সুপার এইটে উঠতে সক্ষম হলেও তার বেশি এগোতে পারবে না। প্রধান পেসার কামিন্স, হ্যাজলউড ও স্টার্কের অনুপস্থিতি বড় ফাঁকা তৈরি করেছে। এছাড়া স্মিথ ও ম্যাট রেনশের মতো খেলোয়াড়দের খেলানো হয়নি। এসব নির্বাচনী সিদ্ধান্ত দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করেছে। জিম্বাবুয়ের মতো দল সেরা আটে ওঠায় এবং অস্ট্রেলিয়ার গ্রুপপর্ব থেকে বিদায়ে হতাশা থাকলেও তা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত নয়।’

ম্যাকগ্রার মন্তব্যে পরিস্কার হয়েছে যে, অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ এবং টি-টোয়েন্টি দলে নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের স্থায়ী করা দেশের ক্রিকেটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে থাকবে। তরুণ বোলারদের অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক লিগে খেলার সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে আগামী বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026