1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৬:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

পল্লবী ও রূপনগর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৮১ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। তিনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) প্রতিমন্ত্রী এলাকার জনগণের সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করেছেন। এই হটলাইনের মাধ্যমে পল্লবী ও রূপনগরের বাসিন্দারা যে কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা অনিয়মের ঘটনা সরাসরি প্রতিমন্ত্রী বরাবর জানাতে পারবেন। হটলাইন নম্বর ০১৫৫২-১৬১৬১৬।

প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উক্ত এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধীর পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান যাই হোক না কেন, তার কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মোঃ আমিনুল হক বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমার মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কর্মকাণ্ড কোনভাবেই সহ্য করা হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যা পর্যবেক্ষণ করতে চাই।”

স্থানীয়রা প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য এই ধরনের হটলাইন ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এটি কেবল স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করবে।

উল্লেখ্য, পল্লবী ও রূপনগর ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ বস্তিবাসী ও শহুরে এলাকায় সংহত জনসংখ্যার কারণে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন এবং প্রতিমন্ত্রী এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় উদ্যোগী হয়েছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026