1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

পল্লবী ও রূপনগর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১০০ বার দেখা হয়েছে

খেলাধূলা ডেস্ক

রাজধানীর পল্লবী ও রূপনগর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস এবং যেকোনো ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক। তিনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছেন।

সোমবার (২ মার্চ) প্রতিমন্ত্রী এলাকার জনগণের সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ এবং দুর্ভোগ লাঘবের জন্য একটি বিশেষ হটলাইন নম্বর চালু করেছেন। এই হটলাইনের মাধ্যমে পল্লবী ও রূপনগরের বাসিন্দারা যে কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম বা অনিয়মের ঘটনা সরাসরি প্রতিমন্ত্রী বরাবর জানাতে পারবেন। হটলাইন নম্বর ০১৫৫২-১৬১৬১৬।

প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উক্ত এলাকায় কেউ যদি চাঁদাবাজি বা অন্য কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অপরাধীর পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান যাই হোক না কেন, তার কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

মোঃ আমিনুল হক বলেন, “আমার নির্বাচনী এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা আমার মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কর্মকাণ্ড কোনভাবেই সহ্য করা হবে না। এই হটলাইনের মাধ্যমে আমি সরাসরি জনগণের সমস্যা পর্যবেক্ষণ করতে চাই।”

স্থানীয়রা প্রতিমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকায় এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য এই ধরনের হটলাইন ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এটি কেবল স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে না, একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি করবে।

উল্লেখ্য, পল্লবী ও রূপনগর ঢাকা মহানগরের গুরুত্বপূর্ণ বস্তিবাসী ও শহুরে এলাকায় সংহত জনসংখ্যার কারণে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। এই উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় প্রশাসন এবং প্রতিমন্ত্রী এলাকার সুষ্ঠু পরিবেশ এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় উদ্যোগী হয়েছেন।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026