1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বেসরকারি স্কুল-কলেজের সভাপতির মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর নিয়োগ বাতিল নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর গণপরিবহন আধুনিকায়ন ও নারীর নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে নতুন উদ্যোগ নেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ড্রোন হামলায় সাইপ্রাসে যুক্তরাজ্যের সামরিক ঘাঁটিতে উত্তেজনা অষ্টম জাতীয় ভোটার দিবস আজ, তবে কোনো কর্মসূচি নেই আইনি সহায়তায় ২৯ হাজার ৮২৯ জনকে সরকারি খরচে সেবা প্রদান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে ভাষণ প্রদানে বাধা দেওয়ার চিঠি পল্লবী ও রূপনগর নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি আহত

ট্রাম্পের নীতি বদল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ থেকে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’-এ: ইরানি শীর্ষ কর্মকর্তার মন্তব্য

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের নিরাপত্তা কাঠামোর অন্যতম শীর্ষ ব্যক্তিত্ব আলি লারিজানি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির পরিবর্তে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ নীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। সম্প্রতি নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

লারিজানি তার বক্তব্যে বলেন, ট্রাম্পের হঠকারী এবং হেয়ালিপনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে এবং মার্কিন নাগরিকদের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের স্লোগানও পরিবর্তিত হয়েছে; ‘আমেরিকা ফার্স্ট’-এর স্থলে এখন ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ স্লোগানটি প্রাধান্য পাচ্ছে।

তিনি বলেন, মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য সৈন্যদের জীবন বাজি রাখছে। একই সঙ্গে ইরান তার আত্মরক্ষার নীতি অব্যাহত রাখবে বলেও স্পষ্ট করেন লারিজানি।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং সামরিক শক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আধিপত্য তাদের দ্রুত এবং নির্ভুল আঘাত হানার সক্ষমতা প্রদান করে। কিন্তু ইরানের জটিল সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামো, দীর্ঘদিনের মতাদর্শিক ভিত্তি এবং আঞ্চলিক প্রভাবের কারণে শুধুমাত্র শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়ে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা সহজ নয়।

এছাড়া ইরানকে অর্ধশতাব্দী ধরে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি কৌশলগত ‘প্রতিবন্ধক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। আলি লারিজানির মন্তব্য অনুসারে, হুমায়ূন খামেনি বা শীর্ষ নেতৃত্বের পরিবর্তন কি সত্যিই পরিস্থিতি বদলাতে পারবে, তা এখনও অস্পষ্ট। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ক্ষমতার শূন্যতা তৈরি করা সহজ হলেও সেই শূন্যতা কে এবং কীভাবে পূরণ করবে, সেটি মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যত রাজনৈতিক চিত্রের ওপর নির্ভর করবে।

লারিজানির এই মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান ত্রিমুখী সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরণের নীতি পরিবর্তন কূটনৈতিক এবং সামরিক ক্ষেত্রে নতুন দিকনির্দেশনা তৈরি করতে পারে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026