1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়ার নতুন হার কার্যকর স্বাধীনতার ৫৪ বছর: ফুটবলের আবেগের বাইরে বাংলাদেশ-লাতিন আমেরিকার কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিবর্তন সারাদেশে সোয়া ৭ কোটির বেশি নাগরিক পেলেন স্মার্টকার্ড নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁসমুক্ত পরিবেশে এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন চলতি বছরের ফিরতি হজ ফ্লাইট সম্পন্ন, দেশে ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১০০ হাজি সারাদেশে ২৪ ঘণ্টায় হামে আরও একজনের মৃত্যু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে মেট্রোরেল চলাচল ৩ ঘণ্টা বন্ধ দেশে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলো ‘বাংলা কিউআর’ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিরাপত্তায় মোতায়েন হচ্ছে ৫ হাজার আনসার সদস্য অনলাইন জুয়া ও বেটিং রুখতে সংসদে নতুন আইন পাস, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রভাবে বাংলাদেশে জ্বালানি নিরাপত্তায় উদ্বেগ বৃদ্ধি

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত সামরিক হামলার জেরে ইরান পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এই সংঘাত যদি আঞ্চলিকভাবে জটিল রূপ নেয়, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যে কোনো সরবরাহ ব্যাহত হলে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই সংকীর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে এই রুটে সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিমধ্যেই এর প্রভাব দেখা গেছে; গত শুক্রবার অপরিশোধিত তেলের দাম ২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলারে পৌঁছেছে। ১৭ ফেব্রুয়ারিতে যেখানে দাম ছিল ৬১ ডলার, সেখানে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার কারণে বাজারে অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বৈঠক ফলহীন হওয়ার পর থেকেই এই পরিস্থিতি তীব্রতর হয়েছে।

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সরাসরি হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। দেশের প্রাথমিক জ্বালানির প্রায় ৯০ শতাংশ—অপরিশোধিত তেল, পরিশোধিত জ্বালানি ও এলএনজি—এই রুটের মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করে। প্রধান সরবরাহকারী দেশগুলো, যেমন সৌদি আরব, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, থেকে জ্বালানি আনার ক্ষেত্রে বর্তমানে বিকল্প সমুদ্রপথ নেই।

বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য মূলত দুটি ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। প্রথম, মূল্যঝুঁকি: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং এলএনজি আমদানিকারকদের আমদানি ব্যয় বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এতে সরকারের ওপর ভর্তুকি চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে বা দেশীয় বাজারে জ্বালানির দাম সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। দ্বিতীয়, সরবরাহঝুঁকি: হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হলে বা বীমা প্রিমিয়াম বৃদ্ধি পেলে শিপমেন্ট বিলম্বিত হতে পারে। এর ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়।

জ্বালানি সংকট বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়াতে পারে, যা শিল্পখাতে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে এবং জ্বালানিনির্ভর রপ্তানি পণ্যগুলোকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে দিতে পারে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশে মুদ্রাস্ফীতির পুনরায় বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করে।

জ্বালানি বিশ্লেষকরা মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশকে বিকল্প সরবরাহ উৎসের সন্ধান, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যচুক্তি নিশ্চিতকরণ এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত বৃদ্ধি বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে। এগুলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বৈশ্বিক বাজারের অস্থিরতার প্রভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026