আন্তর্জাতিক ডেস্ক
রোববার সকাল সাড়ে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, কাতারের দোহা ও ইসরাইলের তেলআবিবে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দুবাইতে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। কাতারের দোহায় কমপক্ষে ১১টি বিস্ফোরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ইরানি হামলায় দেশটিতে আহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত বিস্ফোরণে আরও আটজন আহত হয়েছেন। এই হামলার কারণে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমিত পরিসরে ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা তেলআবিবের হাকিরিয়ায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কমান্ড সদর দপ্তর, তেল নফ বিমানঘাঁটি এবং একই শহরের একটি বৃহৎ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়েছে।
ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় আজ সকালে বিমান হামলার আশঙ্কায় সতর্ক সংকেত বাজানো হয়েছে। এই সংকেতের মাধ্যমে নাগরিকদের সম্ভাব্য আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। তেলআবিবে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে, তবে ইসরাইল তাদের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে হামলা প্রতিহত করার চেষ্টা করছে।
ইরানি হামলা ও বিস্ফোরণের পরবর্তীতে মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও সংকটাপন্ন হতে পারে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করেছেন। কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করেছেন।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে হামলার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনঃস্থাপন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম শুরু করা হবে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতোমধ্যে এই ঘটনা ঘিরে উত্তেজনা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি মনিটর করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে জটিলতা বৃদ্ধি করতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাম্প্রতিক হামলার প্রেক্ষাপটে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।