1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানে ইরানে হামলা চালানো হয়েছে ইসরায়েলে বেসামরিক আকাশসীমা বন্ধের ঘোষণা নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদের প্রার্থী হিসেবে সমর্থন জানাল ওআইসি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইসরাইলে বৈঠক করবেন ইরান পরিস্থিতি নিয়ে ঢাকা দক্ষিণে নির্বাচনে অংশ নেবেন ইশরাক হোসেন, দলের মনোনয়নের শর্তে ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ইমরাউল রাফাতের নাটক ‘জখম’ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প পর্যায়ক্রমে সবার জন্য উন্মুক্ত হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল উল্লাপাড়ায় দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ব্যক্তির মৃত্যু ইরানে হামলার পর ইসরায়েলে দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা

মোহাম্মদপুর ও আদাবরে রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে বিশেষ পুলিশ অভিযান, ৪২ জন আটক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ডেস্ক

পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আদাবর থানা এলাকায় বিশেষ পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মোহাম্মদপুর ও আদাবরের বিভিন্ন স্থানকে লক্ষ্য করে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ডিসি ইবনে মিজান জানিয়েছেন, মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সাধারণ মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে পারেন এবং ব্যবসায়ীরা নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন।

অভিযানের সময় মোহাম্মদপুর থানা এলাকা থেকে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। একইভাবে আদাবর থানা এলাকা থেকে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ সব আসামির বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে। এর মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা এবং শহরের সাধারণ জনগণকে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রধান লক্ষ্য। এছাড়া, এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এবং ধর্মীয় উৎসবের সময় জনসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডিসি ইবনে মিজান আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া, ভবিষ্যতেও থানা এলাকায় অপরাধ দমন, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম প্রতিরোধে সমন্বিত পুলিশ তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026