1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হজযাত্রীদের ভিসা প্রক্রিয়া ৫ মার্চের মধ্যে সম্পন্নের নির্দেশ হাইকোর্ট পাঁচ মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন প্রদান প্রধানমন্ত্রী ভাষা ও সাহিত্যের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির আশা প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে প্রসিকিউটরদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের প্রভাব নেই মিম মানতাশার ঢালিউডে নতুন প্রস্তাব, শাকিব খানের বিপরীতে সম্ভাব্য চলচ্চিত্র শিল্প ও শিক্ষা চর্চার রাজনীতিকীকরণ সভ্যতার পরিচায়ক নয়: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল কিউবায় পুনরায় বিক্রির অনুমতি দিয়েছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সৌদি আরবের প্রথম বিদেশ সফরে জেদ্দায় ইরান প্রত্যাখ্যান করলো ট্রাম্পের পারমাণবিক ও মানবাধিকার দাবি দুর্নীতি মামলায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকের গ্রেপ্তারের জন্য রেড নোটিশ জারির নির্দেশ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক আলোচনায় সীমিত সামরিক হুমকি নিয়ে টানাপোড়েন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

জেনেভায় তৃতীয় দফার পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা চলছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সীমিত সামরিক পদক্ষেপের হুমকি রেখেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক আক্রমণ করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে।

আলাপচারিতায় মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং ইরানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এই আলোচনাকে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত রোধের একটি চূড়ান্ত প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে চুক্তি কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা এখনও অনিশ্চিত। ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, তিনি কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধান করতে পছন্দ করেন, তবে ইরানের নেতৃত্বের ওপর চাপ বাড়াতে সামরিক হুমকিও তাদের কৌশলের অংশ।

মার্কিন সামরিক বাহিনী ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক সমাবেশ করছে। ‘আর্মাডা’ হিসেবে পরিচিত এই বাহিনীতে দুটি বিমানবাহী রণতরী, যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি বহনকারী বিমান অন্তর্ভুক্ত। এই অবস্থার মধ্যে আলোচনাগুলো শুরু হয়েছে। ইরানও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, তারা তাদের প্রতিরক্ষা ও সামরিক সক্ষমতা রক্ষা করবে।

ইরান তার ভূখণ্ডে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করার মার্কিন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে, তবে কিছু সীমিত ছাড় দেওয়ার সম্ভাব্য ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। আগের দুই দফা আলোচনা ওমানের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে চলমান আলোচনায় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত মাসে প্রথমবার ইরানে হামলার হুমকি দেন। এ সময় ইরানে সরকারের বিরোধী বিক্ষোভ দমন করার ঘটনায় হাজার হাজার মানুষ নিহত হন। এরপর ট্রাম্পের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত হয় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির দিকে, যা দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে দেখা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ করে আসছে, যা ইরান অস্বীকার করে।

ট্রাম্প কংগ্রেসে স্টেট অফ দ্য ইউনিয়ন ভাষণে উল্লেখ করেন, ইরান এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ করছে যা শিগগিরই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে আঘাত করতে সক্ষম হবে। তবে তিনি সম্ভাব্য হামলার কারণ নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদরা মনে করেন, এই আলোচনার ফলাফল পারমাণবিক চুক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। একই সঙ্গে, সীমিত সামরিক হুমকি ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে ও চুক্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলার একটি কৌশল হিসেবে কাজ করতে পারে।

এই আলোচনার পরবর্তী ধাপ নির্ভর করছে দুই পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার উপর এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ ও মধ্যস্থতার উপর। যদি পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব না হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা গ্লোবাল নিরাপত্তা ও অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026