1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট প্রকল্প: পরীক্ষামূলকভাবে ১৪ উপজেলায় বিতরণ শুরু ১০ মার্চ

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৬৩ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ডেস্ক

সরকারি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির খসড়া নীতিমালা চূড়ান্ত হয়েছে এবং শিগগিরই প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর করা হবে। নীতিমালার আওতায় নির্ধারিত ৬ শ্রেণির পরিবার কার্ড পাবেন না। পাইলট প্রকল্পে আগামী ১০ মার্চ ১৪টি উপজেলায় কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব পরিবার ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর জন্য অযোগ্য, তাদের মধ্যে রয়েছেন: ১) সরকারি পেনশনভোগী পরিবারের সদস্য, ২) সরকারি চাকরিজীবী থাকা পরিবার, ৩) বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী বা বড় ব্যবসার মালিক, ৪) ব্যক্তিগত গাড়ির মালিক, ৫) বাড়িতে এসি ব্যবহারকারী পরিবার এবং ৬) উল্লেখযোগ্য বিলাসবহুল সম্পদের মালিক পরিবার। এই ধরনের পরিবার কার্ড পেতে পারবে না।

অন্যদিকে, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার, প্রতিবন্ধী সদস্যসহ পরিবার, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী—যেমন হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী—এবং সর্বোচ্চ ০.৫০ একর জমির মালিক পরিবারকে অগ্রাধিকার তালিকায় রাখা হয়েছে। দারিদ্র্য ও সম্পদের মানদণ্ডের ভিত্তিতে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ‘ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন-২০২৬’ অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ১৪টি উপজেলার একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৬ হাজার ৫০০ পরিবারকে কার্ড দেওয়া হবে। প্রত্যেক পরিবার মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবে।

সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। নারী প্রধানের নামে কার্ড ইস্যু করা হবে যাতে নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা যায়। পাইলট প্রকল্পের জন্য ২ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার ৭৭ শতাংশ সরাসরি উপকারভোগীদের হাতে পৌঁছাবে। চার মাসের মধ্যে কার্যক্রম শেষ করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে প্রায় ২ কোটি পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ধীরে ধীরে ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ কাঠামোয় একীভূত করা হবে। একই স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষা উপবৃত্তি, কৃষি ভর্তুকিসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা রয়েছে। ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

সরকারি তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৯৫টির বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু আছে। তবে একাধিক সুবিধা গ্রহণ ও প্রকৃত দরিদ্র বাদ পড়ার অভিযোগ রয়েছে। নতুন কার্ডব্যবস্থা চালু করে সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করে প্রকৃত সুবিধাভোগী শনাক্তের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চলতি বাজেটের অপ্রত্যাশিত খাত এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকেই কর্মসূচির অর্থ জোগান দেওয়া হবে। সাবেক জ্যেষ্ঠ অর্থসচিবরা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এড়াতে অতিরিক্ত অর্থ ছাপিয়ে ব্যয় না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

পাইলট কার্যক্রমের জন্য বস্তি, শিল্পাঞ্চল, পার্বত্য ও হাওরসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ১৩টি এলাকা বাছাই করা হয়েছে, যাতে ভৌগোলিক ও সামাজিক বৈচিত্র্যের ভিত্তিতে কার্যকারিতা যাচাই করা যায়। সরকারের ভাষ্য, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনকে সামনে রেখে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এটি একটি সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্রে রূপান্তরের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য রয়েছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026