1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

শহীদ সেনা দিবসে বনানী কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে

রাজনীতি ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে বনানীর সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার সকাল ১০টার পর পৃথকভাবে কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে তারা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শ্রদ্ধা জানানোর পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণ করেন।

এই সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল সামরিক রীতিতে সম্মান প্রদর্শন করে। অনুষ্ঠানে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুরের সঙ্গীত, যা শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকে আরো গভীর করে তোলে। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আয়োজিত বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস প্রতি বছর ২৫ ফেব্রুয়ারি পালিত হয়। এটি স্মরণ করে ২০০৯ সালের এই দিনে ঢাকা পিলখানায় সাবেক সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিডিআরের সদর দপ্তরে সংঘটিত বিদ্রোহের সময় নিহত হন ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা, যার মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। এই ঘটনায় নিহত হন সাকিল আহমেদের স্ত্রীসহ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিকও। হত্যাযজ্ঞ পরবর্তী দিন পর্যন্ত চলে।

এদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচি শহীদ সেনাদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করাসহ দেশের নিরাপত্তা ও সশস্ত্র বাহিনীর ত্যাগের প্রতি জনসাধারণের সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সামরিক রীতিনীতি অনুসারে সম্পন্ন হয়, যা দেশের ইতিহাসে এই দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনায় যথাযথ স্মৃতিচারণের গুরুত্ব প্রতিফলিত করে।

শহীদ সেনাদের স্মরণে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ দেশের সামরিক ও নাগরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ঐক্য ও সম্মান প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026