ক্রীড়া ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইট পর্বে ভারতের জয়ের ধারা থেমে গেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচে ৭৬ রানের ব্যবধানে হেরে ভারতের টানা ১২ ম্যাচের জয়যাত্রা শেষ হলো।
ম্যাচে একাদশ নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা উঠার পর সহকারী কোচ রায়ান টেন ডুশাট সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, দলের বিশ্লেষণ অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং লাইনআপে কুইন্টন ডি কক, রায়ান রিকেলটন ও ডেভিড মিলারকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পাওয়ারপ্লেতে কার্যকর বোলিং বিকল্প হিসেবে ওয়াশিংটন সুন্দরকে দলে নেওয়া হয়েছিল, যিনি প্রথম ছয় ওভারে প্রভাব ফেলতে সক্ষম। যদিও অক্ষর প্যাটেল মাঝে মাঝে নতুন বল করলেও, দলের ভাবমূর্তিতে দেখা হয় ওয়াশিংটন এই সময়টিতে বেশি কার্যকর।
তবে মাঠের ফলাফল এই পরিকল্পনার সঙ্গে মিলেনি। ওয়াশিংটন সুন্দর ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে কোনো উইকেট নেননি। স্পিন বোলাররা দলের রানের চাপ কমাতে পারেননি। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ৪৭ রান দিয়ে মাত্র একটি উইকেট নিতে সক্ষম হয়েছেন।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারত শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়েছিল। পাওয়ারপ্লেতে ঈশান কিশান শূন্য রানে এবং তিলক ভার্মা ১ রানে আউট হয়ে যান। তিন উইকেট হারিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ৩১।
মাঝে শিবম দুবে ৩৭ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেললেও অপর প্রান্ত থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় ভারত বড় ব্যবধানে হার এড়াতে পারেনি। ফলস্বরূপ দক্ষিণ আফ্রিকা বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছে এবং সুপার এইটে ভারতের জয়ের ধারাকে থামিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের জন্য এখন দলগত ব্যাটিং ও বোলিং ভারসাম্য পুনর্গঠন গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে পাওয়ারপ্লেতে প্রভাবশালী বোলিং বিকল্প ও ম্যাচে চাপ সামলানোর কৌশল নিয়ে।