1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় ডেস্ক

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেশবাসী এবং বিশ্বের বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি একুশে ফেব্রুয়ারির তাৎপর্য তুলে ধরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং ভাষা ও গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দিন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে তিনি বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের সূচনা পর্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। সে সময় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্রসমাজের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়। ইতিহাসবিদদের মতে, ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণা জোগায়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বলেন, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন কেবল ভাষাগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় সীমাবদ্ধ ছিল না; এটি বাঙালির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও গণতান্ত্রিক চেতনার ভিত্তিকে শক্তিশালী করে। তিনি উল্লেখ করেন, ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জাতি স্বাধীনতা অর্জনের পথে অগ্রসর হয় এবং দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

বাণীতে বাংলা ভাষাকে জাতির আত্মপরিচয়ের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে UNESCO ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। ১৯৯৯ সালে সংস্থাটির সাধারণ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে ভাষাগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও বহুভাষিক শিক্ষার গুরুত্ব আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন মাত্রা পায়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠার চেতনা ভাষা আন্দোলনের মূল ভিত্তি ছিল। এ আদর্শ ধারণ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় বর্তমান সরকার গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং পরবর্তী বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করেন।

বাণীতে দেশের ভাষাগত বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চা এবং সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। তিনি সংশ্লিষ্ট সকলকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বায়নের প্রেক্ষাপটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা বিস্তার এবং প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার সম্প্রসারণ এখন গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সফল বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা এবং সামাজিক সংগঠন দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026