1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রমজান শুরুর আগে রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন ওয়েবসাইটে চাঁদাবাজি ও অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ শুরু ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিন অফিস করছেন নারী সংরক্ষিত আসনের নির্বাচন রোজার মধ্যেই আয়োজনের পরিকল্পনা ইসির রমজানে ১০ লাখ পরিবারের জন্য সুলভ মূল্যে প্রোটিন সরবরাহ শুরু নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক: বিসিবিতে সতর্কতার ‘রেড অ্যালার্ম’ বাজল দেশে মৃদু ভূমিকম্প, সুনামগঞ্জে অনুভূত দুবাইয়ে ১ হাজার ৮৫৬ বন্দিকে রমজান উপলক্ষে ক্ষমা ঘোষণা বিএনপি সরকারের শপথ গ্রহণ: দেশজুড়ে উন্নয়ন ও শৃঙ্খলা প্রত্যাশা

রমজানে ১০ লাখ পরিবারের জন্য সুলভ মূল্যে প্রোটিন সরবরাহ শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ০ বার দেখা হয়েছে

 

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক

রমজান মাসে নিম্ন আয়ের প্রায় ১০ লাখ পরিবারের প্রোটিন চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে সরকার সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীস্থ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই উদ্যোগের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই রমজান মাসে দেশের কম আয়ের পরিবারগুলো কম দামে প্রয়োজনীয় প্রোটিনজাতীয় খাবার কিনতে পারবেন। এ লক্ষ্যে রাজধানীর উত্তরা, আজিমপুর, মিরপুরসহ ২৫টি স্থানে বিক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই কার্যক্রম পুরো রমজান জুড়ে অব্যাহত থাকবে।

উদ্যোগটি দেশের অন্যান্য জেলাতেও সম্প্রসারণ করা হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্ধারিত দামে ডিমের এক ডজন বিক্রি হবে ৯৬ টাকায়, ১ কেজি দুধ ৮০ টাকায় এবং ১ কেজি মাংস ৬৫০ টাকায়। এই উদ্যোগের ফলে বাজারে প্রোটিনজাতীয় পণ্যের দামও প্রভাবিত হতে পারে এবং সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কির্তিমান সুবিধা সৃষ্টি হবে।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা ও সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করতে সহায়তা করা হবে। বিশেষভাবে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সুলভ মূল্যে স্বাস্থ্যকর প্রোটিন উপকরণ ক্রয় করতে পারে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিম, দুধ ও মাংসের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় সাধারণ মানুষকে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয়। সরকারের এই উদ্যোগ সেই চাহিদা ও বাজারের চাপ সামলাতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের কার্যক্রম খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি সূচকে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এছাড়া, এটি সরাসরি কম আয়ের জনগোষ্ঠীর ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত স্টক রাখা হবে এবং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর পাশাপাশি প্রান্তিক জেলাগুলোতেও এ ধরনের উদ্যোগ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের বৃহত্তর জনসংখ্যাকে স্বল্পমূল্যে প্রোটিনজাতীয় খাদ্যপণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026