বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ ভবনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করছেন। সকাল ৯টার পর তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও যমুনা নদীর তীরবর্তী সংশ্লিষ্ট স্থাপনার মেরামতের কাজ এখনও শেষ না হওয়ায় কয়েকদিনের জন্য নতুন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে তার অফিস পরিচালনা করছেন। সরকারি সূত্র জানায়, এই সময়কালে সচিবালয়ে তার কার্যক্রম সীমিত নয়, বরং নিয়মিত সরকারি কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন এবং কর্মপরিকল্পনার অগ্রগতি, বিতরণ প্রক্রিয়া এবং সরকারি অনুদান কার্যক্রমের সমন্বয় বিষয়ে আলোচনা হবে।
দুপুর ২টায় তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করবেন। সভার প্রধান আলোচ্যবিষয় ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, নদী ও খাল খনন এবং জলাধার পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম। এ সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহের কর্মকর্তারা প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি, স্থানীয় পর্যায়ে সম্পন্ন কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করবেন। সরকারের পরিবেশ ও জলবায়ু নীতি, জলাধার পুনরুদ্ধার এবং বনায়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৃক্ষরোপণ ও জলাধার পুনরুদ্ধারের এই পদক্ষেপ দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখার পাশাপাশি বন্যা, খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সহায়ক হবে। একই সঙ্গে নদী ও খাল খননের মাধ্যমে জলবাহী ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় কৃষি এবং নগর অঞ্চলের পানি সরবরাহে সহায়তা মিলবে।
প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে কর্মরত থাকার এই সময়সূচি সরকারি নীতি কার্যক্রমে নিয়মিত তদারকি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।