1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
হাম প্রাদুর্ভাবে শিশুদের চিকিৎসা নিয়ে অভিভাবকদের অনিশ্চয়তা পলিসি ও প্রশাসন বিষয়ে অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাধা ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় ২৭৬৯ ডলার, ২০৩৪ সালে ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য সাবেক আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুলের মন্তব্যে পুনর্বাসন ও অগ্রাধিকার খেলাপী ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের গণমাধ্যম সহযোগিতা জোরদার করার আলোচনা সরকারি কর্মচারীরা দ্বিতীয় দিনও নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি চালাচ্ছেন মাভাবিপ্রবিতে প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থী আন্দোলন, উপাচার্য কার্যালয়ে তালা

দুবাইয়ে ১ হাজার ৮৫৬ বন্দিকে রমজান উপলক্ষে ক্ষমা ঘোষণা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রমজান মাস উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ১ হাজার ৮৫৬ জন বন্দিকে ক্ষমা করেছেন। তিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে এই বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মুক্তি পাওয়া বন্দিরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক এবং তারা দুবাইয়ের সংশোধনাগার ও শাস্তিমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক ছিলেন।

দুবাইয়ের অ্যাটর্নি জেনারেল চ্যান্সেলর ইসাম ইসা আল-হুমাইদান জানান, শেখ মোহাম্মদের এই ক্ষমা প্রদর্শন তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বন্দিদের পরিবারে আনন্দ ফিরে আসে এবং তাদের নতুন জীবন শুরু করে সমাজে পুনরায় একীভূত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুবাই পাবলিক প্রসিকিউশন ইতোমধ্যে দুবাই পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মুক্তি প্রাপ্ত বন্দিদের বিরুদ্ধে থাকা শর্তাবলী এবং আইনগত দায়বদ্ধতা অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতি বছর রমজান মাসের আগেই এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকে। এসব ক্ষমা প্রদানের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বন্দিদের পুনর্বাসন এবং পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলনের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি এবং আইনগত ব্যবস্থার মানবিক দিককে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ ছাড়া, এটি দেশটির সুরক্ষা ব্যবস্থা ও সংশোধনাগারের কার্যক্রমে মানুষের আস্থা বৃদ্ধিতেও অবদান রাখে।

দুবাইয়ের সংশোধনাগার ও শাস্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বন্দিদের মুক্তি সংক্রান্ত কার্যক্রম শুরু হওয়ায়, দেশটির আইন প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে বন্দিদের পুনর্বাসনের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। এর ফলে মুক্তি প্রাপ্তরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে পুনরায় অবদান রাখতে সক্ষম হবেন।

রমজান মাসে এই ধরনের ক্ষমা প্রদানের প্রথা দুবাইয়ের মানবিক নীতি এবং সামাজিক সংহতির একটি প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026