1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সুন্দরবন মধু আহরণ মৌসুম উদ্বোধন: বনজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী গুমের অভিযোগ সংবিধান সংশোধনের জন্য কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য সংসদে নির্দিষ্ট প্রশ্নোত্তর সময় বরাদ্দ ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ শোতে শীর্ষে, আন্তর্জাতিক মুক্তি ৫২ প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রিন্স’ সিনেমার ঈদমুখী মুক্তি পরিকল্পনায় ব্যর্থতা পাংশা মডেল থানায় নারীর ওপর দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল ৭ মে সৌদি আরবে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি ও দক্ষতার স্বীকৃতি চায় বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন প্রকাশ, কিম জং উনের নেতৃত্বে পরিদর্শন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উত্তর কোরিয়া তাদের প্রথম পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের নতুন ছবি প্রকাশ করেছে, যা বিশ্বজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন নিজে এই বিশাল সাবমেরিন পরিদর্শন করেছেন। প্রায় ৮ হাজার ৭০০ টন ওজনের এই জলযানটি যুক্তরাষ্ট্রের ‘ভার্জিনিয়া ক্লাস’ অ্যাটাক সাবমেরিনের সমতুল্য বলে দাবি করা হচ্ছে।

কেসিএনএ জানিয়েছে, সাবমেরিনটির পরিদর্শনের সময় কিম জং উনের সঙ্গে তার কন্যা কিম জু আয়ে-ও উপস্থিত ছিলেন। সাবমেরিন নির্মাণাধীন অবস্থায়, কিম জং উন দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করেছেন এবং সিউলের পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনাকে উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি ও আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা নীতি এখন শক্তিশালী আক্রমণাত্মক ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হচ্ছে।

২০২১ সালের সামরিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া হাইপারসনিক মিসাইল, দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ও নৌ বাহিনী উন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনের প্রযুক্তি গ্রহণ করা উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি বড় কৌশলগত অর্জন। সাধারণ সাবমেরিনগুলোকে নিয়মিতভাবে ব্যাটারি চার্জ করার জন্য পানির ওপর উঠে আসতে হয়, কিন্তু পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিনগুলো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পানির নিচে অবস্থান করতে সক্ষম।

বর্তমানে বিশ্বের কেবলমাত্র কয়েকটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও ভারত—এই ধরনের প্রযুক্তি ধারণ করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষক হং মিন জানিয়েছেন, সাবমেরিনটিতে সম্ভবত ইতিমধ্যেই নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, আগামী দুই বছরের মধ্যে এটি পরীক্ষার জন্য সাগরে ভাসানো হতে পারে।

সামরিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সাবমেরিন উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত শক্তিকে নতুন মাত্রা দেবে। এটি দেশটিকে দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণাত্মক সক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে এবং অঞ্চলীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। সাবমেরিনের সফল পরীক্ষা এবং পরিচালনা হলে উত্তর কোরিয়া তার প্রতিরক্ষা কৌশলকে আরও শক্তিশালী করতে পারবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026