1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

নির্বাচনী প্রার্থীদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা, ওসমান হাদি হামলার ঘটনায় একজন শনাক্ত

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী। শনিবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে এক সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। একই সঙ্গে তিনি ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার ঘটনার অগ্রগতি সম্পর্কেও তথ্য দেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, নির্বাচনী পরিবেশকে নিরাপদ ও সুষ্ঠু রাখতে প্রার্থীদের নিরাপত্তা অগ্রাধিকারভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে একটি প্রার্থীর ওপর গুলির ঘটনা উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি জানান, এ ধরনের সহিংসতার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। প্রার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারে প্রয়োজনীয় জনবল মোতায়েন, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল বাড়ানোর মতো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ঢাকা-৮ আসনের এমপি প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঘটনার পরপরই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং প্রাথমিক তদন্তে একজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে তার পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক ইউনিট সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টা এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। হত্যাচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে সময় লাগলেও খুব শিগগিরই এ বিষয়ে দৃশ্যমান ফল পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জনগণের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, ঘটনার বিষয়ে যেকোনো তথ্য থাকলে তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে তদন্তে সহায়ক হবে।

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এই হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর এমন সহিংস ঘটনা নির্বাচনী পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। নির্বাচনকালীন সময়ে প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।

ডিএমপি কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে। রাজনৈতিক কর্মসূচি, নির্বাচনী প্রচারণা ও জনসমাগমস্থলে বাড়তি নজরদারি থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি ও এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো সহিংস ঘটনার ক্ষেত্রে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা বরদাশত করা হবে না। প্রার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ ভোটারদের নিরাপত্তাও সমান গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। চলমান তদন্তের মাধ্যমে ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করা হলে তা নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়ক হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নির্বাচনের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনৈতিক দল, প্রার্থী ও সাধারণ জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছে পুলিশ প্রশাসন। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে হামলার ঘটনার সুরাহা হলে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আস্থা পুনরুদ্ধার হবে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও সুসংহত করা সম্ভব হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026