1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

অর্থনৈতিক জোটে লাল ফিতার প্রভাব নিয়ে সতর্কবার্তা

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক

ঢাকা, শনিবার, ২৯ নভেম্বর: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশে লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক উদ্যোক্তা দেশটিতে বিনিয়োগ করতে অনিচ্ছুক। তিনি এই মন্তব্য করেন রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অর্থনীতির উন্নয়নে সকল স্তরের মানুষ—গরীব ও ধনী—উভয়েই অবদান রাখছেন। সুতরাং অর্থনীতিকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে পরিচালনা করতে হবে এবং জনসংখ্যাকে শক্তি ও সম্পদে পরিণত করতে হবে। তিনি বলেন, “লাল ফিতার দৌরাত্ম্যের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। তাই সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে দেশে বিনিয়োগ করতে চান না। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও একই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যবসা বাঁচাতে উদ্যোক্তারা প্রায়শই সরকারের সঙ্গে সমঝোতা করেন। এ প্রক্রিয়ায় ব্যবসার নিরাপত্তা নিশ্চিত হলেও, এর পেছনে রাজনৈতিক তৎপরতারও ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, “উপযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং বিচারের ন্যায্যতা এই তিনটি বিষয় কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণরূপে ব্যবসাবান্ধব হবে।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লাল ফিতা ও জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার কারণে অর্থনীতিতে বিনিয়োগের আগ্রহ কমে যাচ্ছে। এটি স্থানীয় ব্যবসায়িক পরিবেশকে প্রভাবিত করছে এবং বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্যও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। উদ্যোক্তাদের মতে, ব্যবসা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা, ন্যায্য বিচার ব্যবস্থা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ব্যবসার পরিবেশকে উন্নত করা সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, দুর্নীতি হ্রাস, সরকারি নীতির স্বচ্ছতা ও ব্যবসার জন্য সুশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশি ও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব।

চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী, অর্থনীতিবিদ এবং নীতিনির্ধারকরা অংশগ্রহণ করেন। তারা দেশি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগকে প্রোত্সাহিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক নীতি সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সম্মেলনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যে ব্যবসায়িক জগতের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাব্য সমাধানের দিকগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠেছে। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক নীতি ন্যায্য ও সুশৃঙ্খলভাবে কার্যকর হলে দীর্ঘমেয়াদে দেশি ও বৈদেশিক বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী হবেন এবং ব্যবসার পরিবেশ আরও স্থিতিশীল হবে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026