1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের ক্রীড়া খাত আধুনিকীকরণের পরিকল্পনা দম বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে ভিজুয়াল নন্দনের নতুন দিগন্ত ইতালি বিশ্বকাপ থেকে বাদ, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ইতিহাসে ফিরল তুরস্ক ২৪ বছর পর ফিরল বিশ্বকাপে সুইডেন ঘরের মাঠে পোল্যান্ডকে হারিয়ে নিশ্চিত করল বিশ্বকাপ যাত্রা ইরান যুদ্ধবিরতিতে রাজি নয়, চায় মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি লোডিং ৭ এপ্রিল, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ইরানের হামলা সক্ষমতা থাকলেও অস্তিত্বগত হুমকি নয়: নেতানিয়াহু রাজধানীতে ফুটপাত দখলমুক্তে আজ থেকে ডিএমপির অভিযান শুরু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বন্ধে পুতিন–বিন জায়েদের ফোনালাপ, কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর

চীনের আন্তর্জাতিক আমদানি মেলায় বাংলাদেশি ব্র্যান্ড প্রাণের অংশগ্রহণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৭৪ বার দেখা হয়েছে

অর্থনীতি ডেস্ক

চীনের সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত ‘চায়না ইন্টারন্যাশনাল ইমপোর্ট এক্সপো-২০২৫’-এ অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান প্রাণ। গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই পাঁচ দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্রাণ তাদের বিভিন্ন খাদ্য ও পানীয়পণ্য প্রদর্শন করছে।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আমদানি-ভিত্তিক এ মেলায় ১৫৫টি দেশ থেকে চার হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। সাংহাইয়ের বিশাল প্রদর্শনী কেন্দ্রজুড়ে প্রায় চার লাখ ৩০ হাজার বর্গমিটার জায়গায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নতুন পণ্য, প্রযুক্তি ও সেবা তুলে ধরছে। এ আয়োজনকে বৈশ্বিক বাজারে বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রাণ তাদের স্টলে জুস, নুডলস, স্ন্যাকস, কনফেকশনারি এবং অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করছে। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, এই মেলায় অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য হলো চীনের আমদানিকারকদের কাছে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের পরিচিতি বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পণ্যের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করা।

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল জানান, চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাজার হলেও এটি অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ। তার ভাষায়, “চীনের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ক্ষমতা উন্নত হওয়ায় প্রায় সব পণ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র। তবুও বাংলাদেশের জন্য বড় সুবিধা হলো—সব ধরনের বাংলাদেশি পণ্য বর্তমানে চীনে শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় পড়ে। পাশাপাশি চীনে পণ্য পাঠানোর পরিবহন ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম।”

তিনি আরও বলেন, “যদি আমরা চীনা ভোক্তাদের খাদ্যাভাস ও রুচি অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও প্যাকেজিং করতে পারি, তাহলে সেখানে বাংলাদেশের পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।”

কামরুজ্জামান কামাল বলেন, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে চীনা আমদানিকারকদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। “আমাদের জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো বাজার সংযোগ তৈরি করা। এজন্য চীনের বড় বড় বাণিজ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করা অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। এসব মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নতুন ক্রেতা ও আমদানিকারক খুঁজে পাওয়া সহজ হয়, যা বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে আরও বহুমাত্রিক করতে সাহায্য করবে,” তিনি যোগ করেন।

চীনের ‘চায়না ইন্টারন্যাশনাল ইমপোর্ট এক্সপো’ বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমদানি মেলা, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের পণ্য ও প্রযুক্তি তুলে ধরার সুযোগ পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প খাতের জন্য এ ধরনের অংশগ্রহণ কেবল রপ্তানি আয় বৃদ্ধিই নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারে ব্র্যান্ড পরিচিতি তৈরিতেও সহায়ক হবে।

মেলায় প্রাণের উপস্থিতি বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক শিল্পের সক্ষমতা ও বৈচিত্র্য তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের নতুন সম্ভাবনার দ্বারও উন্মুক্ত করছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026