1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

যুক্তরাষ্ট্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই এখন প্রধান সংবাদ উৎস: গবেষণা প্রতিবেদন

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ১১৮ বার দেখা হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

 

আমেরিকায় এখন আর মূলধারার টেলিভিশন চ্যানেল বা খবরের ওয়েবসাইট নয়, বরং ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (আগে টুইটার)-এর মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমই হয়ে উঠেছে প্রধান সংবাদ উৎস—এমন তথ্য উঠে এসেছে রয়টার্স ইনস্টিটিউটের এক সাম্প্রতিক গবেষণা প্রতিবেদনে।

গবেষণায় দেখা গেছে, এখন আমেরিকার ৫৪ শতাংশ মানুষ সংবাদ পান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভিডিও প্ল্যাটফর্ম থেকে। টেলিভিশনের মাধ্যমে খবর পাওয়ার হার ৫০ শতাংশ, আর ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমে খবর পড়েন ৪৮ শতাংশ।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, ‘ব্যক্তিনির্ভর ও ভিডিওভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের উত্থান শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই হচ্ছে না—তবে দেশটিতে পরিবর্তনের গতি তুলনামূলকভাবে বেশি এবং এর প্রভাবও অন্যান্য দেশের চেয়ে গভীর।’

সবচেয়ে প্রভাবশালী সংবাদ ব্যক্তিত্ব জো রোগান

যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি দেখা সংবাদ বা মতামত প্রদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসেবে উঠে এসেছে পডকাস্টার জো রোগানের নাম। গত সপ্তাহে অন্তত একবার তার উপস্থাপিত কোনো খবর বা বিশ্লেষণ দেখেছেন—এমনটা বলেছেন ২২ শতাংশ মার্কিন নাগরিক।

ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যমের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

গবেষক নিক নিউম্যান মনে করেন, ভিডিও ও ব্যক্তিনির্ভর সংবাদ কনটেন্টের জনপ্রিয়তা ঐতিহ্যবাহী সংবাদ সংস্থাগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনটি আরও বলছে, এখন অনেক রাজনীতিবিদ মূলধারার কঠিন প্রশ্নবিদ্ধ সাংবাদিকদের এড়িয়ে গিয়ে অনলাইন ‘বন্ধুভাবাপন্ন’ হোস্টদের সঙ্গে কথা বলছেন। এতে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তেমনি বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কাও বাড়ছে।

ভুল তথ্য ছড়ানোর বড় উৎস অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সাররা

গ্লোবাল জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ শতাংশ মানুষ মনে করেন—রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি অনলাইন ইনফ্লুয়েন্সার ও ‘পার্সোনালিটিদের’ মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ায়।

‘এক্স’-এ ডানপন্থী ব্যবহারকারীর উত্থান

মাস্কের অধীনে ২০২২ সালে এক্স (সাবেক টুইটার) কিনে নেওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ডানপন্থী তরুণ ব্যবহারকারীদের অংশগ্রহণ তিনগুণ বেড়েছে। যুক্তরাজ্যেও এই প্রবণতা দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে, এক্স-এর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত থ্রেডস, ব্লু-স্কাই, মাস্টোডনের মতো নতুন প্ল্যাটফর্মগুলো এখনো বিশ্বব্যাপী ২ শতাংশেরও কম মানুষ খবর পড়তে ব্যবহার করছেন—বলা হয়েছে প্রতিবেদনে।

গবেষণার অন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

টিকটক সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল সংবাদ প্ল্যাটফর্ম। বিশ্বজুড়ে ১৭% মানুষ এখন এটি দিয়ে সংবাদ দেখেন, যা গত বছরের চেয়ে ৪ শতাংশ বেশি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) চ্যাটবটের মাধ্যমে সংবাদ পাওয়া দ্রুত বাড়ছে। ২৫ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এর ব্যবহার দ্বিগুণ।
তবে বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, AI সংবাদকে কম স্বচ্ছ, কম নির্ভরযোগ্য ও কম সঠিক করে তুলবে।
সব প্রজন্মের মানুষ এখনো বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য ব্র্যান্ডকেই গুরুত্ব দেন, যদিও তারা সেগুলো আগের মতো ঘন ঘন ব্যবহার করেন না।
রয়টার্স ইনস্টিটিউটের এই বার্ষিক প্রতিবেদনটি এ বছর ৪৮টি দেশে প্রায় ১ লাখ মানুষের ওপর জরিপ করে তৈরি করা হয়েছে। এটির এটি ১৪তম সংস্করণ।

 

সূত্র: বিবিসি।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026