1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

মেটার অ্যাপে মানুষের ব্যক্তিগত তথ্যের ঝুঁকি যাচাই করবে এআই

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২ জুন, ২০২৫
  • ১৫২ বার দেখা হয়েছে

অনলাইন ডেস্ক

 

মেটার ইনস্টাগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপসহ অন্য জনপ্রিয় অ্যাপের আপডেটের সময় ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তার ঝুঁকি মূল্যায়নে এবার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সিস্টেম। এআই ব্যবস্থাটি কোম্পানির মোট আপডেটের ৯০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যায়নের কাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম এনপিআর।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১২ সালে ফেসবুক (বর্তমানে মেটা) ও যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (এফটিসি) মধ্যে হওয়া এক চুক্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটিকে তাদের পণ্যের গোপনীয়তা মূল্যায়ন বাধ্যতামূলকভাবে করতে হয়। এত দিন এই মূল্যায়ন মানুষ বা বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত হলেও, এখন থেকে এই কাজের বড় একটি অংশ করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

নতুন এই এআই-চালিত ব্যবস্থায়, মেটার প্রোডাক্ট টিমগুলোকে শুরুতে তাদের প্রকল্প সম্পর্কে একটি ফর্ম বা প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এরপর খুব দ্রুতই এআই তাদের জানিয়ে দেবে—এই আপডেটে কী ধরনের গোপনীয়তা ঝুঁকি থাকতে পারে এবং তা চালু করার আগে কী কী নিয়ম মেনে চলতে হবে।

এভাবে আপডেটের গতি অনেক বাড়বে বলে মনে করছে মেটা। তবে এনপিআরকে এক সাবেক নির্বাহী সতর্ক করে বলেন, এই ব্যবস্থা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। কারণ, কোন আপডেটের ফলে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে—তা আগে থেকেই বুঝে প্রতিরোধ করা কঠিন হয়ে যাবে।

এনপিআরকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মেটার কজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা আমাদের প্রাইভেসি প্রোগ্রামে ৮ বিলিয়নের বেশি ডলার বিনিয়োগ করেছি এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের শর্ত পূরণ করেই ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঝুঁকির ধরন যেমন পরিবর্তিত হচ্ছে, আমাদের প্রোগ্রামও পরিপক্ব হচ্ছে। আমরা ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে আমাদের প্রক্রিয়াগুলো উন্নত করছি। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করছি কম ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতা ও পূর্বানুমান যোগ্যতা আনতে, আর জটিল ও নতুন বিষয়ে মানুষই মূল্যায়ন করবেন।’

উল্লেখ্য, মেটা সম্প্রতি গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তদন্ত ও সমালোচনার মুখে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে এআই-নির্ভর মূল্যায়ন ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ যেমন বাড়ছে, তেমনি কোম্পানির পক্ষ থেকে এর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতার আশ্বাসও দেওয়া হচ্ছে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026