1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা নিরসনে তেহরানে কাতারের প্রধানমন্ত্রী, জোরদার কূটনৈতিক তৎপরতা নেপাল-তিব্বত সীমান্তে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা: মৃত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ শতাধিক বিদেশি পর্যটক জেদ্দায় ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠকে যোগ দিচ্ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন শুরু আজ, অগ্রাধিকার পাবে সংসদীয় কমিটি গঠন জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ: গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হচ্ছে বিদ্রোহী কবিকে পরিবেশ সুরক্ষায় চারণভূমি রক্ষায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশ মন্ত্রীর পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে যাতে ফ্যাসিবাদ পুনরায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সে বিষয়ে রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির রাতারাতি বৈপ্লবিক পরিবর্তন আশা করা সমীচীন নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মসলার ঝাঁজে পুড়ছে ভোক্তার পকেট, লাগাম নেই বাজারে

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ১২৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

ঈদ সামনে রেখে হঠাৎ করেই মসলার বাজারে আগুন লেগেছে। এলাচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, জিরা, শুকনা মরিচ—প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। বাজারে গেলে সাধারণ ভোক্তাদের এখন চোখ কপালে ওঠে, নাকের জল চোখে গড়ায় মসলা কিনতে গিয়ে।

রাজধানীর কাওরান বাজার, খিলগাঁও, রামপুরা, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকায়, যা এক মাস আগেও ছিল সর্বোচ্চ ১ হাজার ৮০০ টাকা। দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০০–৮৫০ টাকা, লবঙ্গ ১,৫০০ টাকার ঘরে।

কাওরান বাজারে কেনাকাটা করতে আসা গৃহবধূ মুর্শিদা বেগম ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “এলাচ ১৬০০ টাকা কেজি থেকে এখন ৬৩০০ টাকায় উঠেছে! দোকানদার যা খুশি তাই দাম বলছে, জিজ্ঞেস করলেই বলে ‘দাম বেড়েছে, কিছু করার নাই’।”

ব্যবসায়ীদের একাংশ বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট ও আমদানিতে জটিলতা এই দামের পেছনে মূল কারণ। তবে অনেকেই মনে করছেন, এটিকে অজুহাত বানিয়ে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফায়দা লুটছে কিছু আমদানিকারক ও পাইকারি ব্যবসায়ী।

এক খুচরা ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমদানিকারক ও পাইকারি পর্যায়ে অনেক সময়ই গায়েবি সংকট তৈরি করা হয়। এর ফলে খুচরা বাজারে আমরা বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করি।’

বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি করা হলেও বাস্তবে এর তেমন কোনো প্রভাব বাজারে দেখা যাচ্ছে না। ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে কোনো নজরদারি নেই বললেই চলে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে স্বচ্ছতা আনতে নিয়মিত নজরদারি, আমদানি প্রক্রিয়ার জটিলতা দূরীকরণ এবং কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। নইলে এমন চিত্র আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026