1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
সামাজিক মাধ্যমে ঢালিউড অভিনেতা ইলিয়াস কাঞ্চনের মৃত্যুর গুজব চট্টগ্রামের খুলশীতে প্রাইভেটকার চাপায় এক ব্যক্তি নিহত উত্তর-পূর্ব আলজেরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে ১২ জনের মৃত্যু ও ৫৪ জনের আহত হওয়ার ঘটনা চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে সীমান্তে ৬ জনকে পুশ-ইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি ফ্রান্সে অবকাশ যাপনে তাসনিয়া ফারিণ, প্যারিসের দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখছেন অভিনেত্রী নাটোরে পায়ুপথে বিশেষ কৌশলে হেরোইন বহনের সময় দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব ছাড়ছেন টিম কুক, নতুন দায়িত্বে জন টার্নাস রংপুরে একই পরিবারের চারজন হত্যার ঘটনায় আদালতে দেওয়া আসামিদের জবানবন্দি প্রকাশ সৌদি আরবের মক্কা প্রদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা, সর্বোচ্চ ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব বহাল রাখল বার্সেলোনা

আওয়ামী লুটেরা দুদকের চোখে ‘ভালো মানুষ’ দায়মুক্ত ৩ হাজার দুর্নীতিবাজ দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালী মন্ত্রী-এমপি ও আমলাদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি, অনেকের মামলায় দেওয়া হয় এফআরটি * শুরু হয়েছে পুনঃতদন্ত, দেওয়া হচ্ছে মামলা। দুদকের এমন বিপরীত অবস্থান নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন * তদন্তের আগে অনুসন্ধান প্রক্রিয়া বাতিলের সুপারিশ করেছে সংস্কার কমিশন

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৯৬ বার দেখা হয়েছে

দুর্নীতি প্রতিরোধে দেশের একমাত্র সংবিধিবদ্ধ সংস্থা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অথচ পতিত সরকারের টানা সাড়ে ১৫ বছরের শাসনামলে সংস্থাটি ছিল বড় দুর্নীতিবাজদের ‘রক্ষাকবচ’। তখন ‘রাঘববোয়াল’ হিসাবে পরিচিত প্রায় তিন হাজার ব্যক্তিকে দায়মুক্তি বা ‘ক্লিনচিট’ দেওয়া হয়েছে। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে অনুসন্ধান পর্যায়ে তা নথিভুক্ত করা হয়। আবার অনেকের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুর্নীতির সত্যতা পাওয়ায় মামলা করা হলেও তদন্তের পর ফাইনাল রিপোর্ট ট্রু (এফআরটি) এর মাধ্যমে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রভাবশালী অনেকেই তিন-চার দফায় দায়মুক্তির সনদ বাগিয়ে বহাল তবিয়তে ছিলেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এখন তাদের অনেকের বিরুদ্ধে নতুন করে অনুসন্ধান ও মামলা হচ্ছে। একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আলাপকালে দুদকের কয়েকজন কর্মকর্তা প্রায় একই ধরনের তথ্য তুলে ধরে যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন সময়ে সংস্থাটির শীর্ষ পদে যারা আসীন হয়েছেন, তারাই ক্ষমতার ছায়া অনুসরণ করেছেন। দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে ক্ষমতাবানরা ক্ষুব্ধ হন-এমন কোনো পদক্ষেপ কেউ নেননি। বরং কাজ করেছেন সরকারের মর্জিমাফিক। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে কমিশনের ইচ্ছা, আবার কিছু ক্ষেত্রে অবৈধ প্রভাবের কারণে অনুসন্ধান ও তদন্তকাজের বৈপরীত্য অবস্থান নেওয়ায় সংস্থাটিকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দুদক কর্মকর্তারা দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পর্যায়ে দুই রকম প্রতিবেদন দিচ্ছেন, যা প্রশ্নবিদ্ধ ও হাস্যকর। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সংস্থাটিকে কার্যত স্বাধীনভাবে কাজে লাগিয়ে দুর্নীতি প্রতিরোধে বড় ভূমিকা রাখার সুযোগ এসেছে। এক্ষেত্রে দুদক সংস্কার কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদনের সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026