1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল টিকিটের দাম সর্বোচ্চ ১০,৯৯০ ডলার নির্ধারণ ফাইনাল টিকিট ১০ হাজার ডলারের বেশি, বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ডায়নামিক প্রাইসিং শুরু শেখ হাসিনার পক্ষে চিঠি প্রাপ্তির কোনো তথ্য নেই: চিফ প্রসিকিউটর স্কুল ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন, নড়াইলের ১৮ হাজার শিক্ষার্থী উপকৃত হবেন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে তেলের বাজারে চাপ বৃদ্ধি দেশে জ্বালানি তেলের মজুদ দুই লাখ টনের বেশি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল মুখোমুখি দেশের সব দোকান-শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ থেকে দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধিতে মালদ্বীপকে আহ্বান এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বৈশাখী ভাতা সাবমিশনে নতুন নির্দেশনা

শৃঙ্খলা ফিরছে না ঋণে

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৫৩ বার দেখা হয়েছে

সরকারের ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৫৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ঋণ ১০ লাখ ২০ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ ১০ লাখ ১৩ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা বা ৮ হাজার ৪৪৪ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। ব্যাংক খাতে সম্ভাব্য খেলাপি ঋণের পরিমাণ সাড়ে ৭ লাখ কোটি টাকা। ঋণের সুদহার কয়েক দফা বেড়ে ১৫ শতাংশের বেশি। কার্যকর ব্যবস্থাপনা কৌশলের অভাবে শৃঙ্খলা ফিরছে না ঋণ খাতে। এখনই পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে আগামীতে আরও কঠিন সংকটের মধ্যে পড়তে হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। তাঁদের মতে, ঋণ শ্রেণিকরণের ক্ষেত্রে সরকার যে নীতিমালা করেছে, তাতে ব্যবসায়ীরা বাধ্য হচ্ছেন খেলাপি হতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালায় ব্যবসায়ীদের ব্যাংক সহায়তার পথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশও পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। এ অবস্থায় ব্যবসায়ীরা বাধ্য হচ্ছেন ঋণখেলাপি হতে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর শেষে সরকারের ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২ কোটি টাকা। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ছিল ১০ লাখ ২০ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। বিদেশি ঋণ ছিল ৮ লাখ ১২ হাজার ৭৭ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) সরকারের ঋণ বেড়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ২৫১ কোটি টাকা। বিশ্লেষকরা বলছেন, ধারাবাহিকভাবে দেশের ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণ। যার বড় একটি অংশ পাচার হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংক ঋণের স্থিতি ছিল ১৬ লাখ ৮২ হাজার ৮২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা, যা বিতরণকৃত মোট ঋণের ১৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। গত জুন মাস শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ১১ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা। ওই সময় দেশের ব্যাংকগুলো থেকে বিতরণ করা ঋণের ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশই এখন খেলাপি হয়ে পড়েছে। অর্থাৎ তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৭৩ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। তবে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেনের দেওয়া তথ্যমতে, গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭ লাখ ৫৫ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চ শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা বলেছেন, ব্যাংক ঋণের মান নির্ধারণে আবারও আন্তর্জাতিক চর্চা শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সিদ্ধান্ত মোতাবেক, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোনো ঋণ পরিশোধ না করলে তা মেয়াদোত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য হবে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026