1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে সংস্কার কার্যক্রম চলছে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিদেশি এয়ারলাইনস ও ট্যুর অপারেটরদের বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার ও কাজের মান নিশ্চিত করার নির্দেশ স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর ৭ জুন বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন এয়ার এশিয়া ও এয়ারবাসের মধ্যে ১৯০০ কোটি ডলারের ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর এক মাসে ৫ হাজার অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, ৩০ জন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা জুলাইয়ের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস ও জুতা বিতরণ: প্রতিমন্ত্রী বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানে ইরানের প্রস্তুতির বার্তা; অধিকার রক্ষায় অনড় পেজেশকিয়ান ফ্লোরিডায় নিহত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বৃষ্টির প্রথম জানাজা সম্পন্ন, মরদেহ দেশে পৌঁছাবে শনিবার

বিতর্ক ছাড়ছে না জনপ্রশাসনের

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১১৫ বার দেখা হয়েছে

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের। বিভিন্ন পদে নিয়োগ বা বদলি করে সিদ্ধান্তে অটল থাকতে পারছে না তারা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বারবার সিদ্ধান্ত বদলাতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এতে প্রশাসনিক দুর্বলতা স্পষ্ট হচ্ছে। ক্ষুণœ হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তিও। চাপে নাকি অনুরোধে বারবার সিদ্ধান্ত বদল হচ্ছে, খোদ কর্মকর্তারাই এ নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন!

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ব্যাপক রদবদল হয়। তাড়াহুড়া করে বিভিন্ন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে তা আবার পরিবর্তনও করতে হয়েছে। সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করার বিষয়টি যেমন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় করেছে, তেমনি সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকেও চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আবদুর রশীদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সবক্ষেত্রে এমন হচ্ছে না। কেবল নিয়োগ-বদলির আদেশে কোনো ধরনের ত্রুটি হলে সেটির সমাধান ও সংশোধনের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়। সাবেক সচিব ও জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, একটা আদেশ করার পর সেটি বদলানো মানে হচ্ছে সে বিষয়ে আগে ভালো করে কাজ হয়নি। এখন এটি এত বেশি হচ্ছে, যে কারণে প্রশাসনিক দুর্বলতা স্পষ্ট। এতে ভাবমূর্তি ক্ষুণœ হচ্ছে। আমি মনে করি এজন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা হিসেবে প্রধান উপদেষ্টারও দায় আছে। উনাকে দিয়ে স্বাক্ষর করিয়ে আবার পাল্টানো হচ্ছে কেন, সে বিষয়ে উনার কড়া বার্তা দেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব ও বাস্তবায়নকারী সচিবেরও দায় আছে। সব মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবও দায় এড়াতে পারেন না। একজন কর্মকর্তার বদলি হোক বা পদায়ন, ভালো করে খোঁজ নেওয়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। সেখানে গাফিলতি আছে।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026