1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজশাহী মেডিকেল কলেজে শিশু আইসিইউ সংকট ও মৃত্যুর ঘটনা শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা ও নেতৃত্বের ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্ব পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রতিরোধে জোরদার মনোযোগের ঘোষণা রাজধানীতে স্কুল সময়ের যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খুঁজতে নির্দেশ বিআইডব্লিউটিসিকে জনবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের নির্দেশনা নুরজাহান খানম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত বাংলাদেশ-সৌদি বৈঠকে হজ ও উমরাহ সেবায় সহযোগিতা জোরদারের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ-ভুটান তথ্যপ্রযুক্তি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক মেসি শুরুতেই খেলতে পারেন জাম্বিয়ার বিপক্ষে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বাজেট বৃদ্ধি, বকেয়া পরিশোধসহ অবকাঠামো ও সরঞ্জাম উন্নয়নে বরাদ্দ

খেয়ালখুশিমতো খরচ হয়েছে জলবায়ু তহবিলের অর্থ

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ১৫০ বার দেখা হয়েছে

– রাজনৈতিক বিবেচনায় নেয়া হয় প্রকল্প, সুফল পাননি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা
– ৮৭৪ কোটি টাকা পদ্মা ব্যাংকে আটকা
– অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত আছে : রিজওয়ানা হাসান

খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী গ্রামের মৃত্যুঞ্জয় রায়। পেশায় একজন কৃষক। লবণাক্ততার কারণে তার জমিতে আগে তেমন আবাদ হতো না। তবে, গত বছর থেকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ‘ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন’ প্রকল্পের মাধ্যমে সেই সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে বলে জানান। এই প্রকল্পের আওতায় জমির ভেতর ছোট পুকুর খননের পর বৃষ্টির পানি ধরে রেখে তা সেচ কাজে ব্যবহার করছেন তিনি। মৃত্যুঞ্জয় জানান, আগে জমিতে পানির অভাবে কিছুই হতো না। এবার ৪ বিঘা জমিতে ধান লাগিয়েছি। জমির পাড়ে সবজি চাষ করেছি। ধান কেটে আবার তরমুজ লাগাবো। কিন্তু, সমস্যা হলো খাবার পানিতে। বাড়ি থেকে অনেক দূরে একটি এনজিও’র ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (পানি শোধনাগার) রয়েছে, সেখান থেকে পানি কিনে খেতে হচ্ছে তার পরিবারকে।

শুধু মৃতুঞ্জয় নন, তার মতো ওই গ্রামের প্রায় সব পরিবারকেই হেঁটে, রোদ বৃষ্টি মাড়িয়ে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। অনেককে আবার কয়েক কিলোমিটার হেঁটে খাবার পানি সংগ্রহ করতে হয়। খুলনা, সাতক্ষীরাসহ উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে খাবার পানির জন্য রীতিমতো যুদ্ধ করতে হয়। অথচ জলবায়ু পরির্বতনজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ জানেন না ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট (বিসিসিটি)’ বা জলবায়ু তহবিল নামে কোনো কিছু আছে। এই তহবিল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য বিগত সময়ে তেমন কিছু না করলেও রাস্তার সড়ক বাতি স্থাপন, পার্ক তৈরি, পুকুরের ঘাট বাঁধানো, এমনকি জলবায়ুর টাকায় ভবন তৈরি করে তা ব্যক্তিগত রিসোর্টে পরিণত করারও নজির আছে। যেমনটা হয়েছে ভোলার চরফ্যাশনে ‘জ্যাকব টাওয়ার’ নির্মাণে। জলবায়ু ট্রাস্টের টাকায় স্থানীয় এমপির (তৎকালীন) নামে সুউচ্চ এই টাওয়ার তৈরি করা হয়। ভোলার চর কুকরি-মুকরিতেও জলবায়ু প্রকল্পের টাকায় বিনোদন কেন্দ্র নির্মাণ করা হয় বলে জানা যায়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026