1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
বাজেটে ফ্যামিলি কার্ডে বরাদ্দ বাড়ছে, এক বছরে সুবিধা পাবেন ৫০ লাখ নারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধ ও স্বাস্থ্য খাতের সংস্কারে অর্থমন্ত্রীর তাগিদ সমাজ সংস্কারে দেশপ্রেমিকদের নিয়ে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর জাতীয়তাবাদে সব জাতি-গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করাই লক্ষ্য: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সিগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীকে নেতাকর্মীদের অভ্যর্থনা আন্তর্জাতিক যৌথ অভিযানে আইএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা নিহত ব্রাজিল-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে উপদেষ্টা পর্যায়ে মাসিক বৈঠকের সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির খসড়া প্রস্তাবে চীনের তীব্র বিরোধিতা, ভেটোর আশঙ্কা ইসরায়েলে জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তা হ্রাস: সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে বিরোধী জোট মে মাসে দেশে আসছে সাড়ে ৫ লাখ টন জ্বালানি তেল, মজুত পর্যাপ্ত

সড়ক পরিবহন (সংশোধন) আইন, ২০২৪’র খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৪
  • ২০৩ বার দেখা হয়েছে

সড়ক পরিবহন আইনের বিভিন্ন ধারায় সাজা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি দুটি ধারা অজামিনযোগ্য থেকে জামিনযোগ্য করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে বিদ্যমান আইনের অন্তত ১২টি ধারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আজ বুধবার মন্ত্রিসভায় ‘সড়ক পরিবহন (সংশোধন) আইন, ২০২৪’র  খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আইনের খসড়াটি অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার বৈঠক।
পরে বিকেলে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি প্রস্তাবিত আইনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।
বর্তমানে আইনের ৮৪, ৯৮ ও ১০৫ ধারা অজামিনযোগ্য। প্রস্তাবিত আইনে ৮৪ ও ৯৮ ধারাকে জামিনযোগ্য করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯৮ ধারায় ওভারলোডিং বা নিয়ন্ত্রণহীনভাবে মোটরযান চালানোর ফলে দুর্ঘটনায় জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের দন্ডের কথা আছে। এই ধারায় মোটরযানের মালিককে বীমা করতে বলা হয়েছে। আর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কোনো মোটরযানের কারিগরি নির্দেশ অমান্যের দন্ডের কথা আছে ৮৪ ধারায়।
আর ১০৫ ধারা এখনকার মতো অজামিনযোগ্যই থাকছে। দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অপরাধের শাস্তির কথা আছে এই ধারায়। এতে বলা আছে, এই আইনে যা কিছুই থাকুক না কেন, মোটরযান চালনাজনিত কোনো দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে কোনো ব্যক্তি আহত হলে বা তাঁর প্রাণহানি ঘটলে, এ সংক্রান্ত অপরাধগুলো দন্ডবিধিতে থাকা বিধান অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত হিসেবে বলা আছে, দন্ডবিধিতে যা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো ব্যক্তির বেপরোয়া বা অবহেলাজনিত মোটরযান চালনার কারণে সংঘটিত দুর্ঘটনায় কেউ গুরুতরভাবে আহত হলে বা প্রাণহানি ঘটলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদন্ড বা পাঁচ লাখ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026