1. admin@deshmediabd.info : admin :
  2. support@bdsoftinc.info : adminr :
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদঃ
চট্টগ্রাম বন্দরে বে টার্মিনাল নির্মাণে সিঙ্গাপুরের প্রস্তাব, দক্ষ জনশক্তি ও বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোগ গণিত চর্চা ও অলিম্পিয়াডের প্রসারে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর চাঁদাবাজির এক লাখ টাকা না পেয়ে অটোরিকশাচালককে গুলি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ আখতার হোসেনের চুক্তি বাতিল এআইপ্রযুক্তিনির্ভর বিদেশি সাইবার হামলার মুখোমুখি তাইওয়ান, সরকারি সংস্থায় নিরাপত্তা জোরদার জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির সৌজন্য সাক্ষাৎ: বিশ্বমিডিয়ায় দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে আকাশপথে বৃদ্ধি পাচ্ছে ফ্লাইট সংখ্যা, সুযোগ তৈরি হচ্ছে নতুন কার্গো নেটওয়ার্কের চকরিয়ায় বাস-লেগুনা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৫ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল উদ্ধার

৪২ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩০০ কোটি টাকার অনিয়ম

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৩৫ বার দেখা হয়েছে

স্থাপনা নির্মাণে লঙ্ঘিত সরকারি বিধিবিধান। কেনাকাটা ও দরপত্রে মানা হয়নি নিয়ম। এক খাতের টাকা ব্যয় হয়েছে অন্য খাতে। ঘটেছে অতিরিক্ত অর্থ উত্তোলন ও বিধিবহির্ভূতভাবে ভাতা প্রদানের ঘটনা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অর্থ ব্যয়ে এ ধরনের অসংখ্য অনিয়ম ও অসংগতি উঠে এসেছে নিরীক্ষায়। সেসব অনিয়মের কারণে দেশের ৪২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকার অডিট আপত্তি দিয়েছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর, যা উঠে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে।

মোট ৬২০ অডিট আপত্তির মাধ্যমে এ অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের অধীন শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর। অডিট আপত্তিগুলোও দুই ধরনের। এর একটি সাধারণ, অন্যটি অগ্রিম।

শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অডিট আপত্তিগুলো দেওয়া হয়েছে, তার অধিকাংশই গুরুতর আর্থিক অনিয়ম, যা ধরন হিসেবে অগ্রিম উল্লেখ করা হয়েছে। এ আপত্তিগুলোর ক্ষেত্রে সাধারণত সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এ ক্ষেত্রেও একই ধরনের সুপারিশ করেছে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের পরিচালক মো. রবিউল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, অডিট আপত্তিগুলো নিয়ম অনুযায়ী ইউজিসিতে পাঠানো হয়। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউজিসির মাধ্যমে ব্রড শিটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আপত্তির জবাব দেয়। এরপর প্রয়োজনীয় দালিলিক প্রমাণ পেলে আপত্তিগুলো নিষ্পত্তি করা হয়। নাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।বিস্তারিত

s
এই বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2026